
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলাসহ পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন তিনজন। এর মধ্যে ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দিরাই-মদনপুর সড়কে বাসচাপায় অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ছাতকে নিহত ৫ জনের মধ্যে একজন হলেন- সিএনজি অটোরিকশার যাত্রী তাহিরপুর উপজেলার তেরজালাল গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে ইউসুফ আলী (৫৫)। তবে অপর নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অটোরিকশার সঙ্গে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা সুনামগঞ্জগামী রিফাত পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের নিচে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি চাপা পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। ৩ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।
জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, আহতদের উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের আত্মীয় স্বজন না আসায় তাদের পরিচয় শনাক্ত হয়নি।

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলাসহ পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন তিনজন। এর মধ্যে ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দিরাই-মদনপুর সড়কে বাসচাপায় অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ছাতকে নিহত ৫ জনের মধ্যে একজন হলেন- সিএনজি অটোরিকশার যাত্রী তাহিরপুর উপজেলার তেরজালাল গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে ইউসুফ আলী (৫৫)। তবে অপর নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অটোরিকশার সঙ্গে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা সুনামগঞ্জগামী রিফাত পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের নিচে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি চাপা পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। ৩ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।
জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, আহতদের উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের আত্মীয় স্বজন না আসায় তাদের পরিচয় শনাক্ত হয়নি।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে