
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবার এক কোম্পানির অফিসে হামলার দুই দিনের মাথায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে নগর পুলিশ। তবে হামলা-ভাঙচুরের ভিডিওতে তাদের দেখা গেছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।
নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ফয়সাল আহম্মেদ। তিনি বলেন, ‘লোকাল সোর্সের মাধ্যমে তথ্য নিয়ে তাদের ধরা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কি না, সেটি তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইউনুস (৪১), ইমরান হোসেন চ্যাং (৩১), আকবর হোসেন (২৪), মো. সুমন (২৭), গিয়াস উদ্দিন (২১), মো. নয়ন (২০) ও আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ (২৮)। পুলিশ বলছে, ইউনুসের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মানবপাচারসহ পাঁচটি এবং ইমরানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ ১২টি মামলা আছে।

এর আগে চাঁদা দাবির পর গত সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার অ্যাকসেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান চকবাজার থানা থেকে সামান্য দূরে। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরে সেখান থেকে কর্মচারীদের বেতনের জন্য রাখা নগদ ৩৫ লাখ টাকার পাশাপাশি অফিসে থাকা ল্যাপটপ লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ডিডিএনের কর্মকর্তারা সোমবার জানান, সেদিন দুপুরে মাস্ক পরিহিত ১৫-২০ জনের একটি দল অস্ত্র নিয়ে ডিডিএন কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। তারা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পরে কর্মচারীদের বেতনের জন্য অফিসে রাখা নগদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
ডিডিএনের পরিচালক রিদোয়ানুল কবির বলেন, হঠাৎ ১৫-২০ জন অস্ত্রধারী আমাদের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। তারা অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মচারীদের বেতনের জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। অফিসের সব কম্পিউটার ভেঙে ফেলে।
হামলার আগে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মানুনকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড পাওয়া গেছে। ওই কল রেকর্ডে এক ব্যক্তি নিজেকে ‘ডেভিড ইমন’ পরিচয় দেন। তিনি আদিলকে বলেন, ‘আমি আপনাকে দুই দিনের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলবেন। এখন আমাদের ছেলেরা ব্যবসা করবে। ব্যবসা করতে হলে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে করতে হবে, না হলে ব্যবসা করবেন না। ১৭ বছর অনেক ব্যবসা করেছেন।’
কল রেকর্ডে ইমনকে বলতে শোনা যায়, ইমনকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করবেন। বলবেন, সাজ্জাদ গ্রুপের ডেভিড ইমন কল দিয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের সবাই তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবসা করছে বলেও ফোনে বলছিলেন ইমন।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন সোমবার বলেছিলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলায় কারা জড়িত, তা বের করতে কাজ চলছে। মোবাইল ফোনে হুমকির কথাও শুনেছি। সেগুলোও তদন্তের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবার এক কোম্পানির অফিসে হামলার দুই দিনের মাথায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে নগর পুলিশ। তবে হামলা-ভাঙচুরের ভিডিওতে তাদের দেখা গেছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।
নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ফয়সাল আহম্মেদ। তিনি বলেন, ‘লোকাল সোর্সের মাধ্যমে তথ্য নিয়ে তাদের ধরা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কি না, সেটি তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইউনুস (৪১), ইমরান হোসেন চ্যাং (৩১), আকবর হোসেন (২৪), মো. সুমন (২৭), গিয়াস উদ্দিন (২১), মো. নয়ন (২০) ও আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ (২৮)। পুলিশ বলছে, ইউনুসের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মানবপাচারসহ পাঁচটি এবং ইমরানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ ১২টি মামলা আছে।

এর আগে চাঁদা দাবির পর গত সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার অ্যাকসেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান চকবাজার থানা থেকে সামান্য দূরে। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরে সেখান থেকে কর্মচারীদের বেতনের জন্য রাখা নগদ ৩৫ লাখ টাকার পাশাপাশি অফিসে থাকা ল্যাপটপ লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ডিডিএনের কর্মকর্তারা সোমবার জানান, সেদিন দুপুরে মাস্ক পরিহিত ১৫-২০ জনের একটি দল অস্ত্র নিয়ে ডিডিএন কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। তারা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পরে কর্মচারীদের বেতনের জন্য অফিসে রাখা নগদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
ডিডিএনের পরিচালক রিদোয়ানুল কবির বলেন, হঠাৎ ১৫-২০ জন অস্ত্রধারী আমাদের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। তারা অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মচারীদের বেতনের জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। অফিসের সব কম্পিউটার ভেঙে ফেলে।
হামলার আগে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মানুনকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড পাওয়া গেছে। ওই কল রেকর্ডে এক ব্যক্তি নিজেকে ‘ডেভিড ইমন’ পরিচয় দেন। তিনি আদিলকে বলেন, ‘আমি আপনাকে দুই দিনের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলবেন। এখন আমাদের ছেলেরা ব্যবসা করবে। ব্যবসা করতে হলে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে করতে হবে, না হলে ব্যবসা করবেন না। ১৭ বছর অনেক ব্যবসা করেছেন।’
কল রেকর্ডে ইমনকে বলতে শোনা যায়, ইমনকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করবেন। বলবেন, সাজ্জাদ গ্রুপের ডেভিড ইমন কল দিয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের সবাই তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবসা করছে বলেও ফোনে বলছিলেন ইমন।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন সোমবার বলেছিলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলায় কারা জড়িত, তা বের করতে কাজ চলছে। মোবাইল ফোনে হুমকির কথাও শুনেছি। সেগুলোও তদন্তের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে