
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় সংসদীয় আসন পাঁচটি, এর মধ্যে দুটি আসনের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে— নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের সদর উপজেলায় চারটি এবং নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের একটি। এসব কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অগ্নিসংযোগ ঘটায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
যে পাঁচটি কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, সেগুলো হলো— সদর উপজেলার পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বামনমোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরপুর শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লাইট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্বধলা উপজেলার হিরনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরপুর শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্বধলার হিরনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো জানালা খুলে চটের বস্তায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বিদ্যালয়গুলোতে মোট ছয়টি বেঞ্চ পুড়ে যায় এবং দেয়ালের আংশিক ক্ষতি হয়। একইভাবে লাইট ও বামনমোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা পরিত্যক্ত দুটি বেঞ্চেও আগুন দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা আগুনের ঘটনা টের পেয়ে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আজ মঙ্গলবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার এবং সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন।
তিনি জানান, চারটি কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়েছে। দুটি বিদ্যালয়ের কক্ষে আগুন দেওয়ায় কিছু বেঞ্চ পুড়েছে এবং অপর দুটি বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা পরিত্যক্ত দুটি বেঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে গ্রাম পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, ‘কিছু বেঞ্চ আংশিক পুড়লেও ভোটগ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না। কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে।’
উল্লেখ্য, নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আনোয়ারুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফাহিম খান পাঠান, জাতীয় পার্টির এ বি এম রফিকুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আবদুর রহিম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কাইয়ুম।
অন্যদিকে নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী— বিএনপির আবু তাহের তালুকদার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাছুম মোস্তফা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নূরুল ইসলাম।

নেত্রকোনায় সংসদীয় আসন পাঁচটি, এর মধ্যে দুটি আসনের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে— নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের সদর উপজেলায় চারটি এবং নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের একটি। এসব কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অগ্নিসংযোগ ঘটায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
যে পাঁচটি কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, সেগুলো হলো— সদর উপজেলার পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বামনমোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরপুর শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লাইট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্বধলা উপজেলার হিরনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরপুর শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্বধলার হিরনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো জানালা খুলে চটের বস্তায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বিদ্যালয়গুলোতে মোট ছয়টি বেঞ্চ পুড়ে যায় এবং দেয়ালের আংশিক ক্ষতি হয়। একইভাবে লাইট ও বামনমোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা পরিত্যক্ত দুটি বেঞ্চেও আগুন দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা আগুনের ঘটনা টের পেয়ে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আজ মঙ্গলবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার এবং সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন।
তিনি জানান, চারটি কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়েছে। দুটি বিদ্যালয়ের কক্ষে আগুন দেওয়ায় কিছু বেঞ্চ পুড়েছে এবং অপর দুটি বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা পরিত্যক্ত দুটি বেঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে গ্রাম পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, ‘কিছু বেঞ্চ আংশিক পুড়লেও ভোটগ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না। কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে।’
উল্লেখ্য, নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আনোয়ারুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফাহিম খান পাঠান, জাতীয় পার্টির এ বি এম রফিকুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আবদুর রহিম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কাইয়ুম।
অন্যদিকে নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী— বিএনপির আবু তাহের তালুকদার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাছুম মোস্তফা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নূরুল ইসলাম।

সভায় তিনি জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ ইয়াসিনের সন্ধান মেলেনি। এদিকে জিডির পর থেকেই ইয়াসিনের সঙ্গে চলাফেরা করা প্রতিবেশী ও পাশের গ্রামের তিন যুবক পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনায় নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ফটিগুলি এলাকায় জমির মালিক মাটি বিক্রি করার কারণে জমিতে গর্তের সৃষ্টি হয়। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জমির গর্তগুলো ভরাট হলে সাঁতার না জানা ওই তিন শিশু মারা যায়। বিষয়টি উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একসঙ্গে তিন শিশুর মারা যাওয়ার
২১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মোট চার শিশুর মৃত্যু হলো। বর্তমানে এই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালটিতে ১১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
১ দিন আগে