
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি সিস্টেমের ডিভাইস ও ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত শনিবার দিনের বেলায় রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। রাতেই স্কুলের কলাপসিবল গেট এবং দরজার তালা ভেঙে এসব যন্ত্রাংশ নিয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাছমিন বেগম চৌধুরী জানান, বিদ্যালয়ে কোনো নৈশপ্রহরী নেই। রোববার সকালে এসে ভবনের মূল গেটের তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ভোটকেন্দ্রে চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়মিত মামলা করার জন্য থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি সিস্টেমের ডিভাইস ও ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত শনিবার দিনের বেলায় রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। রাতেই স্কুলের কলাপসিবল গেট এবং দরজার তালা ভেঙে এসব যন্ত্রাংশ নিয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাছমিন বেগম চৌধুরী জানান, বিদ্যালয়ে কোনো নৈশপ্রহরী নেই। রোববার সকালে এসে ভবনের মূল গেটের তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ভোটকেন্দ্রে চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়মিত মামলা করার জন্য থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১৯ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
১ দিন আগে