
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে যাত্রা করেছিল ইনকিলাব মঞ্চ। সেখানে সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে ইনকিলাব মঞ্চ দাবি করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ ও জাবেরের নিজেদের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলছে, পুলিশের ‘অ্যাকশনে’ তাদের আরও অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জাবের ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হয়েছে।’
এর কিছুক্ষণ পর আরেক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব। সে পর্যন্ত নিরাপদে থাকবার আহ্বান জানাই।’
এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে ইনকিলাব মঞ্চ। তাদের দাবি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত করতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল— সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু মঞ্চকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার। অসহযোগিতা বাড়তে থাকলে ইনকিলাব জনগণের সহায়তা নেবে। সারা দেশের জনগণ নিয়ে যমুনার সামনে বসবে। তখন সামলানোর দায়িত্ব থাকবে সরকারের।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু করে রাতভর যমুনার সামনে ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেলে আবার তারা যমুনার সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ব্যারিকেড দিলে তা ভেঙেই সামনে এগোতে থাকেন তারা।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা বলেন, ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে গেলে পুলিশ মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে। পরে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়লে জাবেরসহ একাধিক নেতা গুলিবিদ্ধ হন।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে যাত্রা করেছিল ইনকিলাব মঞ্চ। সেখানে সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে ইনকিলাব মঞ্চ দাবি করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ ও জাবেরের নিজেদের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলছে, পুলিশের ‘অ্যাকশনে’ তাদের আরও অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জাবের ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হয়েছে।’
এর কিছুক্ষণ পর আরেক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব। সে পর্যন্ত নিরাপদে থাকবার আহ্বান জানাই।’
এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে ইনকিলাব মঞ্চ। তাদের দাবি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত করতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল— সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু মঞ্চকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার। অসহযোগিতা বাড়তে থাকলে ইনকিলাব জনগণের সহায়তা নেবে। সারা দেশের জনগণ নিয়ে যমুনার সামনে বসবে। তখন সামলানোর দায়িত্ব থাকবে সরকারের।
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু করে রাতভর যমুনার সামনে ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেলে আবার তারা যমুনার সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ব্যারিকেড দিলে তা ভেঙেই সামনে এগোতে থাকেন তারা।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা বলেন, ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে গেলে পুলিশ মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে। পরে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়লে জাবেরসহ একাধিক নেতা গুলিবিদ্ধ হন।

এক নারী নিহত হয়েছেন বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া একটি সিলিন্ডারের আঘাতে। সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান থেকে উদ্ধার করা হয় পাঁচজনের মরদেহ। আর দগ্ধ ও আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা একে নাশকতার ঘটনা বলে সন্দেহ করছি। কোচের ভেতরে খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পেট্রোল বা গানপাউডার ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে
শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে একটি মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকার খবর পায় পুলিশ। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করার পর থানা পুলিশ ওই কক্ষে প্রবেশ করবে।
১ দিন আগে
দরজার বাইরে ঝোলানো কাঠের নামফলকটি এখনো আগের মতোই আছে। মা-বাবার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল এক বালকের ছবি, পাশে লেখা— ‘অপ্রতিমদের বাসা। প্রযত্নে- নাহিদ ও শাহরিয়ার।’ বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এই বাসার ভেতর এখন কতটা শোক জমে আছে।
১ দিন আগে