
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

হাওর অধ্যুষিত কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার ফল পাল্টে দেওয়ার প্রত্যাশায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী— দুই দলই।
ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হলে আসনটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে তার বড় ছেলে প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন।
আসন্ন নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা সময়ে নানা নাটকীয়তায় আলোচনা-সমালোচনায় এসেছেন তিনি।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে প্রার্থী হয়েছেন অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ রোকন রেজা। তিনি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আইন বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৫২ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি (ধানের শীষ) থেকে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা) থেকে অ্যাডভোকেট রোকন রেজা, খেলাফত মজলিস (রিকশা) থেকে খাইরুল ইসলাম ঠাকুর, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (আপেল) থেকে নুরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) থেকে নিয়ে অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন মজুমদার, এনপিপি (আম) থেকে জয়নাল আবেদীন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী রেহা কবির সিগমা (ফুটবল) ও মোহাম্মদ শাহীন রেজা চৌধুরী (ঘোড়া) নির্বাচনি তৎপরতায় সক্রিয়।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রবল। তবে অভিযোগ রয়েছে, অতীতে আওয়ামী লীগের পদ-পদবি ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসনকে সহায়তা করা এক শ্রেণির নেতা এখন বিএনপির প্রার্থীর আশপাশে ঘোরাফেরা করছেন, যা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিভাজন সৃষ্টি করছে। এতে বিএনপির কিছু ভোট অন্যদিকে সরে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নামলেও ভেতরে ভেতরে স্বতন্ত্র ও জামায়াত প্রার্থীদের সহায়তা করছেন। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কোন্দল ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শাহীন রেজা চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসায় দরিদ্র ভোটারদের একটি অংশ তার দিকে ঝুঁকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও ভোটের ক্ষেত্রে একটি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেহা কবির সিগমার নিজ এলাকা অষ্টগ্রামে কিছু ভোট রয়েছে। অষ্টগ্রামে বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারণে স্থানীয়দের একটি অংশ তাকে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্য দুই উপজেলায় রেহা কবির সিগমার ফুটবল প্রতীকের তেমন কোনো সাড়া নেই। এরপরেও তিনি ভোটারদের নানান প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের এই আসনের বাকি প্রার্থীদের নির্বাচনি তৎপরতা নেই বললেই চলে। প্রতীক বরাদ্দের পরও তাদের এখনও পর্যন্ত মাঠে দেখা যায়নি। তাদের কেউ কোনো কোনো গনসংযোগ করেন করেননি, শুধু লিফলেট বিতরণের মধ্যেই তাদের নির্বাচনি প্রচার সীমাবদ্ধ।
প্রতীক বরাদ্দ ও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মাঠে সক্রিয় রয়েছেন, তার নেতাকর্মীরা নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়নে পথসভা ও উঠান বৈঠক করছেন। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজার প্রচার শুরুর দিকে ধীর গতিতে চললেও বর্তমানে সরগরম। জামায়াতের মহিলা বিভাগের কর্মীরাও তার পক্ষে সক্রিয় রয়েছেন।
সব মিলিয়ে, এই আসনে বিএনপির ব্যক্তিগত ইমেজ ও দলীয় ভোটব্যাংক থাকলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দল না মিটলে ফলাফলে প্রভাব পড়তে পারে। জামায়াতে ইসলামীও ধীরে ধীরে ভোট বাড়াচ্ছে, বিশেষ করে বিএনপির ভেতরে আওয়ামী লীগপন্থি নেতাদের অনুপ্রবেশে ক্ষুব্ধ ভোটারদের একটি অংশ জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে ধানের শীষ কিছুটা এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশে ফল যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

হাওর অধ্যুষিত কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার ফল পাল্টে দেওয়ার প্রত্যাশায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী— দুই দলই।
ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হলে আসনটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে তার বড় ছেলে প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন।
আসন্ন নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা সময়ে নানা নাটকীয়তায় আলোচনা-সমালোচনায় এসেছেন তিনি।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে প্রার্থী হয়েছেন অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ রোকন রেজা। তিনি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আইন বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৫২ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি (ধানের শীষ) থেকে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা) থেকে অ্যাডভোকেট রোকন রেজা, খেলাফত মজলিস (রিকশা) থেকে খাইরুল ইসলাম ঠাকুর, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (আপেল) থেকে নুরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) থেকে নিয়ে অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন মজুমদার, এনপিপি (আম) থেকে জয়নাল আবেদীন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী রেহা কবির সিগমা (ফুটবল) ও মোহাম্মদ শাহীন রেজা চৌধুরী (ঘোড়া) নির্বাচনি তৎপরতায় সক্রিয়।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রবল। তবে অভিযোগ রয়েছে, অতীতে আওয়ামী লীগের পদ-পদবি ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসনকে সহায়তা করা এক শ্রেণির নেতা এখন বিএনপির প্রার্থীর আশপাশে ঘোরাফেরা করছেন, যা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিভাজন সৃষ্টি করছে। এতে বিএনপির কিছু ভোট অন্যদিকে সরে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নামলেও ভেতরে ভেতরে স্বতন্ত্র ও জামায়াত প্রার্থীদের সহায়তা করছেন। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কোন্দল ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শাহীন রেজা চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসায় দরিদ্র ভোটারদের একটি অংশ তার দিকে ঝুঁকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও ভোটের ক্ষেত্রে একটি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেহা কবির সিগমার নিজ এলাকা অষ্টগ্রামে কিছু ভোট রয়েছে। অষ্টগ্রামে বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারণে স্থানীয়দের একটি অংশ তাকে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্য দুই উপজেলায় রেহা কবির সিগমার ফুটবল প্রতীকের তেমন কোনো সাড়া নেই। এরপরেও তিনি ভোটারদের নানান প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের এই আসনের বাকি প্রার্থীদের নির্বাচনি তৎপরতা নেই বললেই চলে। প্রতীক বরাদ্দের পরও তাদের এখনও পর্যন্ত মাঠে দেখা যায়নি। তাদের কেউ কোনো কোনো গনসংযোগ করেন করেননি, শুধু লিফলেট বিতরণের মধ্যেই তাদের নির্বাচনি প্রচার সীমাবদ্ধ।
প্রতীক বরাদ্দ ও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মাঠে সক্রিয় রয়েছেন, তার নেতাকর্মীরা নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়নে পথসভা ও উঠান বৈঠক করছেন। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজার প্রচার শুরুর দিকে ধীর গতিতে চললেও বর্তমানে সরগরম। জামায়াতের মহিলা বিভাগের কর্মীরাও তার পক্ষে সক্রিয় রয়েছেন।
সব মিলিয়ে, এই আসনে বিএনপির ব্যক্তিগত ইমেজ ও দলীয় ভোটব্যাংক থাকলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দল না মিটলে ফলাফলে প্রভাব পড়তে পারে। জামায়াতে ইসলামীও ধীরে ধীরে ভোট বাড়াচ্ছে, বিশেষ করে বিএনপির ভেতরে আওয়ামী লীগপন্থি নেতাদের অনুপ্রবেশে ক্ষুব্ধ ভোটারদের একটি অংশ জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে ধানের শীষ কিছুটা এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশে ফল যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

নিহত ৫ জনের মধ্যে তাৎক্ষনিক দুইজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, উপজেলার নূরপুর এলাকার বিপুল পাহান (২৫) ও সঞ্জু রাও (৪৫)।
৭ ঘণ্টা আগে
গত বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান চলাকালীন চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে এই হট্টগোল ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি
৭ ঘণ্টা আগে
সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে আটকা পড়া ১২৮ জেলে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে এসে আটকা পড়া ২৩ ভারতীয় জেলে ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি ১২৮ জেলেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব জেলেরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি আপনরা পত্রিকায় দেখেন নাই? পড়েন নাই যে মির্জা আব্বাস দুর্নীতি করেছে? আপনরা কি জানেন এই দুর্নীতির মামলা যে উঠে গেছে? এই মামলা উঠছে ৫ তারিখের পরে। উনি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আলেম— আল্লামা মির্জা আব্বাস।’
২১ ঘণ্টা আগে