
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সার পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক পরিবেশকের গুদামে ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা। একই দাবিতে জেলার ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকেরা। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও কথিত সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাটেও মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা বাজারের কাশেম ট্রেডার্সের সামনে সার নিতে সকাল থেকেই জড়ো হন কৃষকেরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল আটটার পরও পরিবেশকের লোকজন না আসায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে সেখানে প্রায় ২০০ কৃষক জড়ো হন। সকাল নয়টার দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকজন গুদামের টিনের বেড়া ভাঙচুর করেন। তবে অন্য কৃষকদের বাধায় গুদাম থেকে কেউ সার নিয়ে যেতে পারেননি।
কৃষকদের অভিযোগ, গুদামে সার থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় পরিবেশকের লোকজন না আসায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখানে ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কিও হয়।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্পণ কুমার দাস বলেন, গুদামে পর্যাপ্ত সার ছিল। পরিবেশক কিছুটা দেরিতে আসায় ১৫০ থেকে ২০০ কৃষক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে গুদামের বেড়ার টিন ভেঙে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের মিলনবাজারে সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকেরা। এতে কিছু সময় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক কৃষকদের সঙ্গে কথা বললে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
তিনি বলেন, মিলনবাজারের একটি গুদামে সার বিতরণের খবর পেয়ে আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক কৃষক সেখানে উপস্থিত হন। গুদামে ২০ টন সার থাকলেও কৃষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেদিন বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
আগামীকাল অতিরিক্ত সার সরবরাহ করে একসঙ্গে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।
একই দাবিতে লালমনিরহাটেও সড়কে নেমেছেন কৃষকেরা। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত এবং কথিত সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।
রোববার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর বাজার এলাকায় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন কৃষকেরা। এতে প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
পরে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে কৃষকেরা অবরোধ তুলে নেন।
আন্দোলনরত কৃষকদের অভিযোগ, চলতি আমন মৌসুমে চাহিদামতো সার না পাওয়ায় সময়মতো জমিতে সার দিতে পারছেন না তারা। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সার নিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।

সার পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক পরিবেশকের গুদামে ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা। একই দাবিতে জেলার ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকেরা। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও কথিত সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাটেও মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা বাজারের কাশেম ট্রেডার্সের সামনে সার নিতে সকাল থেকেই জড়ো হন কৃষকেরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল আটটার পরও পরিবেশকের লোকজন না আসায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে সেখানে প্রায় ২০০ কৃষক জড়ো হন। সকাল নয়টার দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকজন গুদামের টিনের বেড়া ভাঙচুর করেন। তবে অন্য কৃষকদের বাধায় গুদাম থেকে কেউ সার নিয়ে যেতে পারেননি।
কৃষকদের অভিযোগ, গুদামে সার থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় পরিবেশকের লোকজন না আসায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখানে ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কিও হয়।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্পণ কুমার দাস বলেন, গুদামে পর্যাপ্ত সার ছিল। পরিবেশক কিছুটা দেরিতে আসায় ১৫০ থেকে ২০০ কৃষক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে গুদামের বেড়ার টিন ভেঙে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের মিলনবাজারে সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকেরা। এতে কিছু সময় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক কৃষকদের সঙ্গে কথা বললে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
তিনি বলেন, মিলনবাজারের একটি গুদামে সার বিতরণের খবর পেয়ে আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক কৃষক সেখানে উপস্থিত হন। গুদামে ২০ টন সার থাকলেও কৃষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেদিন বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
আগামীকাল অতিরিক্ত সার সরবরাহ করে একসঙ্গে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।
একই দাবিতে লালমনিরহাটেও সড়কে নেমেছেন কৃষকেরা। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত এবং কথিত সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।
রোববার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর বাজার এলাকায় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন কৃষকেরা। এতে প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
পরে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে কৃষকেরা অবরোধ তুলে নেন।
আন্দোলনরত কৃষকদের অভিযোগ, চলতি আমন মৌসুমে চাহিদামতো সার না পাওয়ায় সময়মতো জমিতে সার দিতে পারছেন না তারা। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সার নিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে