
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সিদ্ধিরগঞ্জের একটি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার খোলার অভিযোগ উঠেছিল জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ-প্রশাসনসহ বিএনপি-জামায়াত নেতারা কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।
পরে প্রশাসন জানায়, ব্যালট পেপারে সিল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটকক্ষের জন্য ব্যালট পেপার ভাগ করছিলেন। তবে ওই প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাবেক জামায়াত নেতা।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই কেন্দ্রের উত্তেজনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, কেন্দ্রের ভোটকক্ষের মেঝেতে কয়েকটি বাক্সে ব্যালট বই পড়ে রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের একজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, সন্ধ্যায় পোলিং এজেন্টদের তথ্য দিতে কেন্দ্রে গেলে সব কক্ষ বন্ধ দেখতে পান তিনি। কেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। আধা ঘণ্টা পর জোর করে ভেতরে ঢুকলে প্রিজাইডিং অফিসার ছাড়াও একটি কক্ষে নারীসহ ১০ জনের মতো লোক দেখেন তিনি। সেখানে খোলা ব্যালট মেঝেতে পড়ে ছিল। তাকে দেখে সবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় যুবদলের ওই নেতা বাকিদের আটক করে স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানান।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম (মান্নান) বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. বশিরুল হক ভূঁইয়া জামায়াতের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির সাবেক আমির। তার সহযোগিতায় কেন্দ্রের ভেতর রাতে ব্যালট পেপার খোলা হয়েছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা ব্যালটে সিল মারার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক রায়হান কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যালটে সিল মারার একটি গুজব শুনে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্রের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। বিষয়টি তেমন নয়। স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট পেপারগুলো বিভিন্ন কক্ষের জন্য আলাদা করছিলেন।
প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বশিরুল হক ভূঁইয়া জামায়াতে ইসলামীর সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সাবেক আমির। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আমরা তাকে নিয়োগ দিয়েছি স্কুলশিক্ষক হিসেবে। তার বিরুদ্ধে আজকের আগে কোনো অভিযোগ পাইনি।
ধনকুন্ডা ইউনিট জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আমান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা জাল ভোট দিচ্ছিল শুনে আমরা কেন্দ্রে আসি। পুলিশ-প্রশাসন কেউ এর কোনো প্রমাণ পায়নি। আমাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সিদ্ধিরগঞ্জের একটি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার খোলার অভিযোগ উঠেছিল জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ-প্রশাসনসহ বিএনপি-জামায়াত নেতারা কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।
পরে প্রশাসন জানায়, ব্যালট পেপারে সিল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটকক্ষের জন্য ব্যালট পেপার ভাগ করছিলেন। তবে ওই প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাবেক জামায়াত নেতা।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই কেন্দ্রের উত্তেজনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, কেন্দ্রের ভোটকক্ষের মেঝেতে কয়েকটি বাক্সে ব্যালট বই পড়ে রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের একজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, সন্ধ্যায় পোলিং এজেন্টদের তথ্য দিতে কেন্দ্রে গেলে সব কক্ষ বন্ধ দেখতে পান তিনি। কেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। আধা ঘণ্টা পর জোর করে ভেতরে ঢুকলে প্রিজাইডিং অফিসার ছাড়াও একটি কক্ষে নারীসহ ১০ জনের মতো লোক দেখেন তিনি। সেখানে খোলা ব্যালট মেঝেতে পড়ে ছিল। তাকে দেখে সবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় যুবদলের ওই নেতা বাকিদের আটক করে স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানান।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম (মান্নান) বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. বশিরুল হক ভূঁইয়া জামায়াতের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির সাবেক আমির। তার সহযোগিতায় কেন্দ্রের ভেতর রাতে ব্যালট পেপার খোলা হয়েছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা ব্যালটে সিল মারার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক রায়হান কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যালটে সিল মারার একটি গুজব শুনে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্রের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। বিষয়টি তেমন নয়। স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট পেপারগুলো বিভিন্ন কক্ষের জন্য আলাদা করছিলেন।
প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বশিরুল হক ভূঁইয়া জামায়াতে ইসলামীর সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সাবেক আমির। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আমরা তাকে নিয়োগ দিয়েছি স্কুলশিক্ষক হিসেবে। তার বিরুদ্ধে আজকের আগে কোনো অভিযোগ পাইনি।
ধনকুন্ডা ইউনিট জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আমান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা জাল ভোট দিচ্ছিল শুনে আমরা কেন্দ্রে আসি। পুলিশ-প্রশাসন কেউ এর কোনো প্রমাণ পায়নি। আমাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে