কুমিল্লা জেলায় বর্তমানে ৩৮৫ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন। মে মাসে আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে জেলায় মোট মৃত্যু হলো সাতজনের।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টার হালনাগাদকৃত তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখনও প্রতিদিন দু-একজন করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। যেহেতু এই সময়ে ডেঙ্গু দেখা দেয়, এজন্য কালক্ষেপণ না করে তা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কী কী কার্যক্রম করছি, কীভাবে করছি তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবহিত করেছি। উনি আমাদেরকে আইনানুগ উপদেশ দিয়েছেন, ওনার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বাকি কাজগুলো করে যাব। তিন দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন পাব, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’
বিশ্বের অন্যতম মারাত্মক ক্যানসার হিসেবে পরিচিত অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস) ক্যানসার চিকিৎসায় এক অভাবনীয় ও যুগান্তকারী সাফল্যের দেখা মিলেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দাবি, দৈনিক মাত্র একটি ট্যাবলেট সেবনের মাধ্যমেই এই প্রাণঘাতী ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার মেয়াদ দ্বিগুণ করা সম্ভব।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই।
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০ শিশুর মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বাকি দুই শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৮ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৫৬ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৬২ জন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডের এসি সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। সেখান থেকে গ্যাস লিকেজ হয়। এরপর ওয়ার্ডে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাদের কাউকেই আর বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছাড়িয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মারা গেছে ৫১২ শিশু। আর গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে ১৩ শিশু। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে একটি শিশুর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারা দেশে ৪৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৫ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪১৪ জন।
হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ শিশু মারা গেছে। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে তিন শিশু। আর হামের উপসর্গে মারা গেছে চার শিশু। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।