
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে। ইইউয়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইয়াবস জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’কে তারা শর্ত হিসেবে দেখছেন না। বরং দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ নির্বাচনে বাধাহীনভাবে ভোট দিতে পারছেন কি না, সেটিই হবে মুখ্য বিবেচ্য বিষয়।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাখ্যা দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ইভার্স ইয়াবস বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দৃষ্টিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলতে প্রথমেই বোঝায়—বাংলাদেশের সব সামাজিক গোষ্ঠীর নাগরিক, যেমন— নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এতে অংশ নিতে পারছেন কি না।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে গত বছর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে। এতে দলটি এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না।
এর আগে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিতে দেখা গেছে ইইউভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের। এবার এ বিষয়টি নতুন করে দেখা হচ্ছে কেন, সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানতে চান সাংবাদিকরা।
জবাবে ইইউয়ের প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়াবস জানান, তারা ‘অংশগ্রহণ’ বলতে ‘বিশ্বাসযোগ্য ভোটার উপস্থিতি’কে বোঝান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তি’ একটি বিস্তৃত ধারণা। এর মধ্যে যেমন নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে তাদের ভোট সঠিক ও স্বচ্ছভাবে গণনার নিশ্চয়তাও।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নিতে পারার বিষয়টি নিবন্ধন, জাতীয় ঐকমত্য ও অন্তর্বর্তীকালীন ন্যায়বিচারের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত উল্লেখ করে ইয়াবস বলেন, বিষয়টি বেশ জটিল। আমরা এসব বিষয়ে মন্তব্য করব না। তবে নির্বাচন ও ভোটার উপস্থিতিতে যদি এর প্রভাব পড়ে, তাহলে অবশ্যই আমরা সেটির দিকে নজর দেবো।
নির্বাচন সামনে রেখে সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইয়াবস বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা দেশের সব জেলায় পর্যবেক্ষক পাঠাব। তাদের এ ধরনের সম্ভাব্য ঘটনার প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলা হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের জন্য ইইউ মিশনের একটি বিশেষ ইউনিট রয়েছে বলে জানান প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়াবস। তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অংশীজনরা সহিংসতামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে আন্তরিক বলে উঠে এসেছে।
ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণ গত ডিসেম্বরে একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নেওয়া হলেও এ মিশন কেবল জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে এটিই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।
প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় এ মিশনের ৫৬ জন কাজ শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে এতে যুক্ত হবেন মোট ২০০ জন। লাটভিয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভার্স ইয়াবস এ মিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন।
ইয়াবস বলেন, এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা অংশীদারত্বের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে। আমাদের কারিগরি মূল্যায়ন তিনটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে— স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও বিনা হস্তক্ষেপ। আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণের সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করছি।
ইইউয়ের মিশনটি তাদের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্বাচন প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, বিচার বিভাগ, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি, আইনিকাঠামো ও তার বাস্তবায়ন, প্রচারণা এবং নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করবে।
নারী, তরুণ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণের সুযোগসহ সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশও মূল্যায়ন করবে এই মিশন। নির্বাচনের ফল নিয়ে মিশনের অবস্থান জানিয়ে ইয়াবস বলেন, আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব। তবে ফলাফল প্রত্যয়ন বা অনুমোদন করব না। এই নির্বাচন একান্তই বাংলাদেশের জনগণের।
নির্বাচনের পর একদিন বিরতি দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউয়ের এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিশন ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক বিবৃতি প্রকাশ করবে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে মাস দুয়েক পর। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা এ প্রতিবেদনে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশও থাকবে।
ইয়াবস বলেন, এই ঐতিহাসিক নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, আমাদের কাজ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে। ইইউয়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইয়াবস জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’কে তারা শর্ত হিসেবে দেখছেন না। বরং দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ নির্বাচনে বাধাহীনভাবে ভোট দিতে পারছেন কি না, সেটিই হবে মুখ্য বিবেচ্য বিষয়।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাখ্যা দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ইভার্স ইয়াবস বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দৃষ্টিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলতে প্রথমেই বোঝায়—বাংলাদেশের সব সামাজিক গোষ্ঠীর নাগরিক, যেমন— নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এতে অংশ নিতে পারছেন কি না।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে গত বছর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে। এতে দলটি এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না।
এর আগে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিতে দেখা গেছে ইইউভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের। এবার এ বিষয়টি নতুন করে দেখা হচ্ছে কেন, সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানতে চান সাংবাদিকরা।
জবাবে ইইউয়ের প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়াবস জানান, তারা ‘অংশগ্রহণ’ বলতে ‘বিশ্বাসযোগ্য ভোটার উপস্থিতি’কে বোঝান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তি’ একটি বিস্তৃত ধারণা। এর মধ্যে যেমন নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে তাদের ভোট সঠিক ও স্বচ্ছভাবে গণনার নিশ্চয়তাও।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নিতে পারার বিষয়টি নিবন্ধন, জাতীয় ঐকমত্য ও অন্তর্বর্তীকালীন ন্যায়বিচারের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত উল্লেখ করে ইয়াবস বলেন, বিষয়টি বেশ জটিল। আমরা এসব বিষয়ে মন্তব্য করব না। তবে নির্বাচন ও ভোটার উপস্থিতিতে যদি এর প্রভাব পড়ে, তাহলে অবশ্যই আমরা সেটির দিকে নজর দেবো।
নির্বাচন সামনে রেখে সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইয়াবস বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা দেশের সব জেলায় পর্যবেক্ষক পাঠাব। তাদের এ ধরনের সম্ভাব্য ঘটনার প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলা হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের জন্য ইইউ মিশনের একটি বিশেষ ইউনিট রয়েছে বলে জানান প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়াবস। তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অংশীজনরা সহিংসতামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে আন্তরিক বলে উঠে এসেছে।
ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণ গত ডিসেম্বরে একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নেওয়া হলেও এ মিশন কেবল জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে এটিই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।
প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় এ মিশনের ৫৬ জন কাজ শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে এতে যুক্ত হবেন মোট ২০০ জন। লাটভিয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভার্স ইয়াবস এ মিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন।
ইয়াবস বলেন, এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা অংশীদারত্বের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে। আমাদের কারিগরি মূল্যায়ন তিনটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে— স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও বিনা হস্তক্ষেপ। আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণের সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করছি।
ইইউয়ের মিশনটি তাদের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্বাচন প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, বিচার বিভাগ, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি, আইনিকাঠামো ও তার বাস্তবায়ন, প্রচারণা এবং নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করবে।
নারী, তরুণ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণের সুযোগসহ সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশও মূল্যায়ন করবে এই মিশন। নির্বাচনের ফল নিয়ে মিশনের অবস্থান জানিয়ে ইয়াবস বলেন, আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব। তবে ফলাফল প্রত্যয়ন বা অনুমোদন করব না। এই নির্বাচন একান্তই বাংলাদেশের জনগণের।
নির্বাচনের পর একদিন বিরতি দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউয়ের এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিশন ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক বিবৃতি প্রকাশ করবে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে মাস দুয়েক পর। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা এ প্রতিবেদনে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশও থাকবে।
ইয়াবস বলেন, এই ঐতিহাসিক নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, আমাদের কাজ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করবে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পিবিসির পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মরক্কো সভাপতি এবং বাংলাদেশ, জার্মানি, ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই দাবির সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই ফটোকার্ডের শিরোনাম ছিল, ‘নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ।’
৯ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব ব্যাংকের সালিশ প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি) সম্প্রতি এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে