
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ৪৯৫ উপজেলার ৯৮৮ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৯ আগষ্ট) রাতে মন্ত্রণালয় এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে, সারাদেশে মোট ৮৭৬ জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর মধ্যে ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়র, ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ পৌরসভার মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে।
এছাড়াও মৃত্যুজনিত কারণে নাটোর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে খালি হওয়া ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ৪৯৫ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এছাড়া সাতটি পৌরসভার প্রশাসককে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকারের একটি সূত্র জানায়, দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা সাড়ে চার হাজারেরও বেশি। এসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বাররা দু-একজন বাদে প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদেরও পদ বাতিল করা হতে পারে।

দেশের ৪৯৫ উপজেলার ৯৮৮ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৯ আগষ্ট) রাতে মন্ত্রণালয় এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে, সারাদেশে মোট ৮৭৬ জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর মধ্যে ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়র, ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ পৌরসভার মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে।
এছাড়াও মৃত্যুজনিত কারণে নাটোর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে খালি হওয়া ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ৪৯৫ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে উপজেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এছাড়া সাতটি পৌরসভার প্রশাসককে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকারের একটি সূত্র জানায়, দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা সাড়ে চার হাজারেরও বেশি। এসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বাররা দু-একজন বাদে প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদেরও পদ বাতিল করা হতে পারে।

পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব
১ ঘণ্টা আগে
গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালেও ছিল একই চিত্র। সেবার মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর গত ১৯ বছরে আর কখনো পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ
৩ ঘণ্টা আগে