
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি পাঁচ আসামি হলেন— ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সবাই পলাতক।
রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খানের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই শহিদ পরিবার ও আহতদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এখন পর্যন্ত সাতটি মামলায় ৬৮ আসামিকে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করে তাদের হত্যা ও নির্যাতনের অপরাধ সংঘটন করে। এসব অপরাধ ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা, সহায়তা, সম্পৃক্ততা ও জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আসামি ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও তথ্যমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত তাদের অধীন বাহিনী ও সংগঠনগুলোকে এসব অপরাধ সংঘটনে নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তা দিয়েছেন। তাদের সম্পৃক্ততা ও জ্ঞাতসারে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানের বিরুদ্ধেও যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ব্যবহার করে একই ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব কাজের মাধ্যমে আসমিরা হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন এবং অন্যান্য অমানবিক আচরণ, অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনা, উসকানি, ষড়যন্ত্র, সম্পৃক্ততা ও অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধে ব্যর্থতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠন করেছে। যা একই আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি পাঁচ আসামি হলেন— ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সবাই পলাতক।
রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খানের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই শহিদ পরিবার ও আহতদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এখন পর্যন্ত সাতটি মামলায় ৬৮ আসামিকে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করে তাদের হত্যা ও নির্যাতনের অপরাধ সংঘটন করে। এসব অপরাধ ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা, সহায়তা, সম্পৃক্ততা ও জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আসামি ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও তথ্যমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত তাদের অধীন বাহিনী ও সংগঠনগুলোকে এসব অপরাধ সংঘটনে নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তা দিয়েছেন। তাদের সম্পৃক্ততা ও জ্ঞাতসারে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানের বিরুদ্ধেও যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ব্যবহার করে একই ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব কাজের মাধ্যমে আসমিরা হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন এবং অন্যান্য অমানবিক আচরণ, অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনা, উসকানি, ষড়যন্ত্র, সম্পৃক্ততা ও অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধে ব্যর্থতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠন করেছে। যা একই আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ বাস্তবায়ন এবং প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ নিয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদম
১ ঘণ্টা আগে
গত সাত মাসে দেশে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিনের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— এমন দাবি করার মতো তথ্
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মন্তব্যের বিষয়ে কোনো পাল্টা মন্তব্য করতে রাজি হননি ইসি সচিব। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি যেটা বলেছেন, সেটা শিরোধার্য। তবে এ বিষয়ে পাল্টা কোনো মন্তব্য করার ধৃষ্টতা আমি দেখাব না। নো কমেন্টস ফ্রম মাই সাইড।’
২ ঘণ্টা আগে
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বাংলাদেশে মামলা ও সাজা হওয়া অন্যদেরও ফেরত চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে