
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে অনিয়মের চিত্র বের করে এক ভিডিও বার্তা দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
বর্তমান সরকারকে ‘অনিয়ম থেকে নিয়মের বাংলাদেশ’ গড়ার সরকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুয়া ক্লিনিক ও নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও আমাদের বন্ধ করতে হবে।
ছুটির দিন দুপুরে শনিবারে মন্ত্রণালয়ে হাজির হন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ে এসে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ফাইল পর্যালোচনা করার সময় একের পর অনিয়ম তার চোখে পড়ে।
জনগণকে এই অভিযানে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনস্বার্থে আমাদের এই লড়াই চলবে। আপনাদের সমর্থন থাকলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব এবং মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করব।’
বিশেষ ভিডিও বার্তায় এম এ মুহিত বলেন, আমি এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল দেখতে পাচ্ছি যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। বছরের পর বছর বলার পরেও তারা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনেক কলেজের নিজস্ব জমি নেই, এমনকি আমানতের দলিলপত্রও নেই। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন ছাড়াই চলছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, সেখানে না আছে হাসপাতাল, না আছে রোগী। তাহলে শিক্ষার্থীরা সেখানে ভর্তি হয়ে কীভাবে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন? অভিভাবকরা তাদের সারা জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ সন্তানদের পেছনে ব্যয় করছেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা প্রতারিত হচ্ছেন। প্রশিক্ষণহীন এই চিকিৎসকরা যখন বের হবেন; তখন জনগণের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।
প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজকে একটি ‘মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড’ বজায় রাখতে হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত জনবল, হাসপাতাল এবং রোগী না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া হবে না।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে অনিয়মের চিত্র বের করে এক ভিডিও বার্তা দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
বর্তমান সরকারকে ‘অনিয়ম থেকে নিয়মের বাংলাদেশ’ গড়ার সরকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুয়া ক্লিনিক ও নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও আমাদের বন্ধ করতে হবে।
ছুটির দিন দুপুরে শনিবারে মন্ত্রণালয়ে হাজির হন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ে এসে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ফাইল পর্যালোচনা করার সময় একের পর অনিয়ম তার চোখে পড়ে।
জনগণকে এই অভিযানে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনস্বার্থে আমাদের এই লড়াই চলবে। আপনাদের সমর্থন থাকলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব এবং মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করব।’
বিশেষ ভিডিও বার্তায় এম এ মুহিত বলেন, আমি এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল দেখতে পাচ্ছি যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। বছরের পর বছর বলার পরেও তারা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনেক কলেজের নিজস্ব জমি নেই, এমনকি আমানতের দলিলপত্রও নেই। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন ছাড়াই চলছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, সেখানে না আছে হাসপাতাল, না আছে রোগী। তাহলে শিক্ষার্থীরা সেখানে ভর্তি হয়ে কীভাবে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন? অভিভাবকরা তাদের সারা জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ সন্তানদের পেছনে ব্যয় করছেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা প্রতারিত হচ্ছেন। প্রশিক্ষণহীন এই চিকিৎসকরা যখন বের হবেন; তখন জনগণের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।
প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজকে একটি ‘মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড’ বজায় রাখতে হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত জনবল, হাসপাতাল এবং রোগী না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া হবে না।

জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ ও ক্ষোভের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, বিল বেড়ে যাওয়ার পেছনে মিটারের কোনো ত্রুটি নয়; বরং নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়া, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং উচ্চ স্ল্যাবে বিল গণনাই মূল কারণ।
১৭ ঘণ্টা আগে
অভিযানে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগে, যেখানে ৫৬৩টি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর উত্তরা বিভাগে ৪৪৩টি, মিরপুরে ৩২৯টি, গুলশানে ২৪৯টি, মতিঝিলে ২৩৩টি, তেজগাঁওয়ে ২২৭টি, লালবাগে ১৮২টি এবং রমনা বিভাগে ১১০টি মামলা করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের দক্ষতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতেও কাজ করছে সরকার।’
১৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠান, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।
১৯ ঘণ্টা আগে