
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালে জনগণ যে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, সেটাকে জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে উলটো দিকে যাত্রার ভয়াবহ প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জন যেভাবে জনগণের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কারফিউ ভেঙে বের করা গানের মিছিলের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সমাবেশে এ কথা বলেন আনু মুহাম্মদ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অত্যাচারী শাসকের পতন ঘটলেও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে শিল্পী, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। গানের মিছিল ছিল বৃহত্তর প্রতিরোধ সংগ্রামের এক সাংস্কৃতিক প্রকাশ। সংস্কৃতি অঙ্গনের একটি অংশ দীর্ঘদিন শাসকের কাছে আত্মসমর্পণ করলেও অনেক শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী নিজেদের স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে হত্যাকাণ্ড ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিলেন। তাদের সক্রিয় ভূমিকা গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে আরও বিস্তৃত করেছিল।
তবে গণঅভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পথে এগোয়নি বলে মন্তব্য করেন আনু মুহাম্মদ। বলেন, আন্দোলনের মূল বার্তা ছিল সব মানুষের অধিকার, বৈষম্যহীনতা ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নারী, আদিবাসী, শিল্পী, লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানের যে শক্তি সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক বিকাশের পথ সুগম করার কথা ছিল, তার বিপরীত প্রবণতাই দৃশ্যমান হয়েছে।
তিনি বলেন, লিঙ্গ, ধর্ম ও জাতিগত বৈষম্যের ভিত্তিতে রাজনীতি করা গোষ্ঠীগুলোই এখন প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এতে অনেকের কাছে মনে হচ্ছে, তারাই যেন গণঅভ্যুত্থানের মালিক হয়ে উঠেছে। গণঅভ্যুত্থানকে হাতছাড়া করার এই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকারও বিভিন্ন বিষয়ে নীরব সম্মতি দিয়ে যাচ্ছে।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক জামসেদ আনোয়ার তপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা ও বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটু। আরও বক্তব্য দেন সমাজ চিন্তা ফোরামের আহ্বায়ক কামাল হোসেন বাদল, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য রাফিকুজ্জামান ফরিদ প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক সমাবেশে আবৃত্তি করেন শিল্পী সায়ান, হাসান ফখরি, দীপক সুমন, মাহমুদুল হাসান, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লায়েকা বশীর। মূকাভিনয় করেন মুন্সি আবু হারুন টিটো। দলগত সংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বিবর্তন, কোরাস ও সমগীতের শিল্পীরা।

২০২৪ সালে জনগণ যে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, সেটাকে জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে উলটো দিকে যাত্রার ভয়াবহ প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জন যেভাবে জনগণের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কারফিউ ভেঙে বের করা গানের মিছিলের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সমাবেশে এ কথা বলেন আনু মুহাম্মদ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অত্যাচারী শাসকের পতন ঘটলেও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে শিল্পী, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। গানের মিছিল ছিল বৃহত্তর প্রতিরোধ সংগ্রামের এক সাংস্কৃতিক প্রকাশ। সংস্কৃতি অঙ্গনের একটি অংশ দীর্ঘদিন শাসকের কাছে আত্মসমর্পণ করলেও অনেক শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী নিজেদের স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে হত্যাকাণ্ড ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিলেন। তাদের সক্রিয় ভূমিকা গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে আরও বিস্তৃত করেছিল।
তবে গণঅভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পথে এগোয়নি বলে মন্তব্য করেন আনু মুহাম্মদ। বলেন, আন্দোলনের মূল বার্তা ছিল সব মানুষের অধিকার, বৈষম্যহীনতা ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নারী, আদিবাসী, শিল্পী, লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানের যে শক্তি সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক বিকাশের পথ সুগম করার কথা ছিল, তার বিপরীত প্রবণতাই দৃশ্যমান হয়েছে।
তিনি বলেন, লিঙ্গ, ধর্ম ও জাতিগত বৈষম্যের ভিত্তিতে রাজনীতি করা গোষ্ঠীগুলোই এখন প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এতে অনেকের কাছে মনে হচ্ছে, তারাই যেন গণঅভ্যুত্থানের মালিক হয়ে উঠেছে। গণঅভ্যুত্থানকে হাতছাড়া করার এই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকারও বিভিন্ন বিষয়ে নীরব সম্মতি দিয়ে যাচ্ছে।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক জামসেদ আনোয়ার তপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা ও বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটু। আরও বক্তব্য দেন সমাজ চিন্তা ফোরামের আহ্বায়ক কামাল হোসেন বাদল, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য রাফিকুজ্জামান ফরিদ প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক সমাবেশে আবৃত্তি করেন শিল্পী সায়ান, হাসান ফখরি, দীপক সুমন, মাহমুদুল হাসান, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লায়েকা বশীর। মূকাভিনয় করেন মুন্সি আবু হারুন টিটো। দলগত সংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বিবর্তন, কোরাস ও সমগীতের শিল্পীরা।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে