
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে প্রতিবেশী এক তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, “রায় ঘোষণার সময় আসামি আকতার সর্দার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
দণ্ডপ্রাপ্ত আকতার সর্দার (২৭) সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কুকড়াপর্শি গ্রামের সাত্তার সর্দারের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশুটি নগরের মাদারবাড়ি এলাকার একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা একটি জুতার কারখানার কর্মী এবং মা পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। প্রতিবেশী হওয়ায় আকতারের ওই পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল।
ঘটনার দিন ২০২২ সালের ২ জুলাই শিশুটির মা-বাবা কর্মস্থলে গেলে সে বাসায় একা ছিল। এ সময় আকতার বাসায় ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
ভয়ের কারণে শিশুটি চার দিন কাউকে ঘটনাটি জানায়নি। পরে ৬ জুলাই তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ৭ জুলাই শিশুটির বাবা সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আকতারকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করে।
২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে প্রতিবেশী এক তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, “রায় ঘোষণার সময় আসামি আকতার সর্দার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
দণ্ডপ্রাপ্ত আকতার সর্দার (২৭) সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কুকড়াপর্শি গ্রামের সাত্তার সর্দারের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশুটি নগরের মাদারবাড়ি এলাকার একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা একটি জুতার কারখানার কর্মী এবং মা পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। প্রতিবেশী হওয়ায় আকতারের ওই পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল।
ঘটনার দিন ২০২২ সালের ২ জুলাই শিশুটির মা-বাবা কর্মস্থলে গেলে সে বাসায় একা ছিল। এ সময় আকতার বাসায় ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
ভয়ের কারণে শিশুটি চার দিন কাউকে ঘটনাটি জানায়নি। পরে ৬ জুলাই তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ৭ জুলাই শিশুটির বাবা সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আকতারকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করে।
২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

একটি পেশাদার ও আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, পেশাগত যোগ্যতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান।
৫ ঘণ্টা আগে