
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল করেছে।
এর আগে ২০২৫ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। আর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৩১৫টি। বিপরীতে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ বছর এসএসসিতে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। সব মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এবারের পাসের হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম, এবং গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর আর কোনো বছর পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২০০৭ সালে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের পর ২০০৮ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এরপর পাসের হার আরও বাড়তে থাকে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।
পাসের হারের পাশাপাশি এবার এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এবার পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ২২ হাজার ৩৫৬ পরীক্ষার্থী।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল করেছে।
এর আগে ২০২৫ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। আর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৩১৫টি। বিপরীতে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ বছর এসএসসিতে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। সব মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এবারের পাসের হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম, এবং গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর আর কোনো বছর পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২০০৭ সালে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের পর ২০০৮ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এরপর পাসের হার আরও বাড়তে থাকে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।
পাসের হারের পাশাপাশি এবার এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এবার পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ২২ হাজার ৩৫৬ পরীক্ষার্থী।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায
৩ ঘণ্টা আগে
এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে ফোন করে এসব নির্দেশ দেন তিনি। আরাফাতও এতে সম্মতি জানিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক
৪ ঘণ্টা আগে