
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপ আরও শক্তিশালী হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে, কমবে তাপমাত্রা। একই সঙ্গে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং কয়েকটি নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (৫ জুলাই) প্রকাশিত বিশেষ বুলেটিনে আবহাওয়া অফিস জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলসংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপটি অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৫২০ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা থেকে ২৮৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা থেকে ৩৪০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে এবং নিম্নচাপটি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ জানান, নিম্নচাপের প্রভাবে আজ থেকেই বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে শুরু করেছে। তার ভাষ্য, আগামী ১২ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
রোববারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এই বৃষ্টির প্রভাবে রংপুর বিভাগসহ রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, চাঁদপুর, ফেনী, কক্সবাজার ও চুয়াডাঙ্গায় চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে, আর রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রংপুরে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে রাঙামাটিতে। এছাড়া টাঙ্গাইল, নরসিংদী, কক্সবাজার, খুলনার কয়রা ও ঢাকাতেও বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রাজনীতি/আরআইআর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপ আরও শক্তিশালী হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে, কমবে তাপমাত্রা। একই সঙ্গে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং কয়েকটি নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (৫ জুলাই) প্রকাশিত বিশেষ বুলেটিনে আবহাওয়া অফিস জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলসংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপটি অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৫২০ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা থেকে ২৮৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা থেকে ৩৪০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে এবং নিম্নচাপটি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ জানান, নিম্নচাপের প্রভাবে আজ থেকেই বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে শুরু করেছে। তার ভাষ্য, আগামী ১২ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
রোববারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এই বৃষ্টির প্রভাবে রংপুর বিভাগসহ রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, চাঁদপুর, ফেনী, কক্সবাজার ও চুয়াডাঙ্গায় চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে, আর রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রংপুরে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে রাঙামাটিতে। এছাড়া টাঙ্গাইল, নরসিংদী, কক্সবাজার, খুলনার কয়রা ও ঢাকাতেও বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রাজনীতি/আরআইআর

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে