
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকায় চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোববার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এবারের সম্মেলনে উঠছে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব।
সম্মেলনে সারা দেশের সকল জেলা প্রশাসকরা উপস্থিত থাকবেন। ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা সম্মেলনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ওপর জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, আগামীকাল থেকে চারদিনব্যাপী ২০২৬ সালের জেলা প্রশাসক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকারের নীতি উন্নয়ন কর্মসূচি এবং মাঠ প্রশাসনের জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব বিষয়ে আলোচনা, নির্দেশনা গ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে প্রতিবছর জেলা প্রশাসক সম্মেলন আয়োজন করা হয়ে থাকে।
তিনি আরো বলেন, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামীকাল ৩ মে সকাল সাড়ে ১০ টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সম্মেলনের বিশেষত্ব হচ্ছে, এবার চারদিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতবার সম্মেলনটি ছিল তিন দিনের এবার একদিন যোগ হয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, সম্মেলন চলাকালে কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
তিনি জানান, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মোট অধিবেশন হবে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন হবে ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা হচ্ছে ৫৬টি।
তিনি আরো বলেন, আমরা মাঠ প্রশাসন থেকে এবার ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছি। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি। সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ সম্পর্কিত। এই বিভাগের জন্য ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে।
তিনি বলেন, এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই বলেছি, এই সম্মেলন চলাকালে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৪ মে সন্ধ্যা ৭টায় এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৫ মে বিকেল ৪টায় ।
তিনি আরো বলেন, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আমরা আশা করছি মাঠ প্রশাসনের আইনগত প্রশাসনিক এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জ সমাধানের করণীয় নির্ধারণ করা যাবে। জেলা পর্যায়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সহজ হবে। জনসেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে।

ঢাকায় চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোববার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এবারের সম্মেলনে উঠছে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব।
সম্মেলনে সারা দেশের সকল জেলা প্রশাসকরা উপস্থিত থাকবেন। ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা সম্মেলনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ওপর জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, আগামীকাল থেকে চারদিনব্যাপী ২০২৬ সালের জেলা প্রশাসক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকারের নীতি উন্নয়ন কর্মসূচি এবং মাঠ প্রশাসনের জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব বিষয়ে আলোচনা, নির্দেশনা গ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে প্রতিবছর জেলা প্রশাসক সম্মেলন আয়োজন করা হয়ে থাকে।
তিনি আরো বলেন, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামীকাল ৩ মে সকাল সাড়ে ১০ টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সম্মেলনের বিশেষত্ব হচ্ছে, এবার চারদিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতবার সম্মেলনটি ছিল তিন দিনের এবার একদিন যোগ হয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, সম্মেলন চলাকালে কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
তিনি জানান, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মোট অধিবেশন হবে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন হবে ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা হচ্ছে ৫৬টি।
তিনি আরো বলেন, আমরা মাঠ প্রশাসন থেকে এবার ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছি। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি। সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ সম্পর্কিত। এই বিভাগের জন্য ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে।
তিনি বলেন, এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই বলেছি, এই সম্মেলন চলাকালে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৪ মে সন্ধ্যা ৭টায় এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৫ মে বিকেল ৪টায় ।
তিনি আরো বলেন, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আমরা আশা করছি মাঠ প্রশাসনের আইনগত প্রশাসনিক এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জ সমাধানের করণীয় নির্ধারণ করা যাবে। জেলা পর্যায়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সহজ হবে। জনসেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে।

বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১২ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
১৩ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
১৪ ঘণ্টা আগে