
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শেরপুরে রাজনৈতিক সহিংসতার জেরে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীর নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ ধরনের প্রাণহানিকে 'সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য' ও 'দুঃখজনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই; তাই সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করতে দলীয় নেতৃত্বকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শেরপুরে সংঘটিত সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
শান্তি বজায় রাখা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সকল রাজনৈতিক দল ও নেতার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে সম্পৃক্ত হওয়াই কাম্য। মূলত শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শেরপুরে রাজনৈতিক সহিংসতার জেরে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীর নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ ধরনের প্রাণহানিকে 'সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য' ও 'দুঃখজনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই; তাই সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করতে দলীয় নেতৃত্বকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শেরপুরে সংঘটিত সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
শান্তি বজায় রাখা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সকল রাজনৈতিক দল ও নেতার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে সম্পৃক্ত হওয়াই কাম্য। মূলত শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একই সময়ে এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে বিরোধী দলের নেতারা। বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কেউই ভুলে যাওয়ার কথা না যে দুইটা নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আজকের এই জায়গায় এসেছি। একটি গণভোট ও আরেকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই গণভোটের ভিত্তি হচ্ছে জুলাই স
৪ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়, ইতোপূর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিসকক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আর এস ফাহিমকে মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে আটকে রেখেছে একদল শিক্ষার্থী। চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটকে রাখার খবর জানা যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেইলস, কী অবস্থায় আছে—তা জানার চেষ্টা করছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছে, গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছে, তাদের ওই সরকারের কিছু নিয়ম মেনে তাদের কিভাবে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়,
৪ ঘণ্টা আগে