
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে বিরোধী দল সংসদে কোনো আলোচনা করে না; তারা শুধু এমন সংস্কারের কথা বলে, যা তাদের ‘ক্ষমতার ভাগ’ এনে দেবে—জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে সংসদে আলোচনা হলে তিনি খুশি হতেন।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুহিত।
বিরোধী দলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিরোধী দল মাঝে মাঝেই সংস্কারের কথা বলেন। জুলাই সনদের কথা বলেন। ওনারা শুধু সেই সংস্কারের কথা বলেন, যেই সংস্কার ওনাদেরকে ক্ষমতার ভাগ দেবে। ওনারা স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে একদিনও আজ পর্যন্ত কথা বলেননি”
স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন হয়েছিল। তারা অনেক কিছু চিন্তাভাবনা করে অনেক কিছু লিখে দিয়েছে। আমি খুশি হতাম, আমাদের বিরোধী দল যদি সেই স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আমাদের এখানে কথা বলত’’
বাজেটকে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে না দেখে এর প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুহিত বলেন, “কোন প্রেক্ষাপটে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে এবং আমরা সকলেই জানি, বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনে আমাদের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে” তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের’পতনের পর মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে বিনামূল্যে সহজলভ্য চিকিৎসা পাবেন”
তিনি জানান, গত অর্থবছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে এবার স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়িয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
চিকিৎসা ব্যয়ের চাপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই খরচের শতকরা ৭৯ ভাগ ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’, অর্থাৎ রোগীর পকেট থেকে টাকা দিয়ে তাকে চিকিৎসা নিতে হয়” তুলনামূলকভাবে থাইল্যান্ডে এ হার ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো, জনবল, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এম এ মুহিত নিজের নির্বাচনি এলাকা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি চরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে একটি ‘চর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’ গঠনের দাবি জানান।
রাজনীতি/আরআইআর

স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে বিরোধী দল সংসদে কোনো আলোচনা করে না; তারা শুধু এমন সংস্কারের কথা বলে, যা তাদের ‘ক্ষমতার ভাগ’ এনে দেবে—জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে সংসদে আলোচনা হলে তিনি খুশি হতেন।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুহিত।
বিরোধী দলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিরোধী দল মাঝে মাঝেই সংস্কারের কথা বলেন। জুলাই সনদের কথা বলেন। ওনারা শুধু সেই সংস্কারের কথা বলেন, যেই সংস্কার ওনাদেরকে ক্ষমতার ভাগ দেবে। ওনারা স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে একদিনও আজ পর্যন্ত কথা বলেননি”
স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন হয়েছিল। তারা অনেক কিছু চিন্তাভাবনা করে অনেক কিছু লিখে দিয়েছে। আমি খুশি হতাম, আমাদের বিরোধী দল যদি সেই স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আমাদের এখানে কথা বলত’’
বাজেটকে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে না দেখে এর প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুহিত বলেন, “কোন প্রেক্ষাপটে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে এবং আমরা সকলেই জানি, বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনে আমাদের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে” তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের’পতনের পর মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে বিনামূল্যে সহজলভ্য চিকিৎসা পাবেন”
তিনি জানান, গত অর্থবছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে এবার স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়িয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
চিকিৎসা ব্যয়ের চাপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই খরচের শতকরা ৭৯ ভাগ ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’, অর্থাৎ রোগীর পকেট থেকে টাকা দিয়ে তাকে চিকিৎসা নিতে হয়” তুলনামূলকভাবে থাইল্যান্ডে এ হার ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো, জনবল, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এম এ মুহিত নিজের নির্বাচনি এলাকা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি চরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে একটি ‘চর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’ গঠনের দাবি জানান।
রাজনীতি/আরআইআর

রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম কার্যদিবসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার সময় বিষয়টি নিয়ে দুই দফা বিতর্ক হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬১৯ জন।
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের বড় সংকট নীতিগত পর্যায়েই রয়েছে। তাই এনবিআরের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পৃথক করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
৬ ঘণ্টা আগে