
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর নিউমার্কেট থানার ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও রূপনগর থানার শামীম হাওলাদার হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব ও আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের পৃথক দুই আদালত রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে কামরুল ইসলামক ও জ্যাকবকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ধানমন্ডি জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামি কামরুলকে ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার উপপরিদর্শক মামুন মিয়া আসামি জ্যাকবকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক দুই আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ১৮ নভেম্বর রাতে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ ছাড়া গত ১ অক্টোবর আবদুল্লাহ আল জ্যাকবকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
ওই দিন হত্যাচেষ্টা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর শামীম হাওলাদার হত্যা মামলায় ২০ নভেম্বর তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
কামরুলের মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান।
এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
জ্যাকবের মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ২০ জুলাই রাজধানীর রুপনগর থানাধীন প্রবেশিকা মোড় এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শামীম হাওলাদার। তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীম মারা যান। এ ঘটনায় শামীমের চাচাতো ভাই সম্রাট হাওলাদার রূপনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় জ্যাকব এজাহারনামীয় ১২২ নাম্বার আসামি।

রাজধানীর নিউমার্কেট থানার ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও রূপনগর থানার শামীম হাওলাদার হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব ও আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের পৃথক দুই আদালত রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে কামরুল ইসলামক ও জ্যাকবকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ধানমন্ডি জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামি কামরুলকে ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার উপপরিদর্শক মামুন মিয়া আসামি জ্যাকবকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক দুই আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ১৮ নভেম্বর রাতে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ ছাড়া গত ১ অক্টোবর আবদুল্লাহ আল জ্যাকবকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
ওই দিন হত্যাচেষ্টা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর শামীম হাওলাদার হত্যা মামলায় ২০ নভেম্বর তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
কামরুলের মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান।
এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
জ্যাকবের মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ২০ জুলাই রাজধানীর রুপনগর থানাধীন প্রবেশিকা মোড় এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শামীম হাওলাদার। তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীম মারা যান। এ ঘটনায় শামীমের চাচাতো ভাই সম্রাট হাওলাদার রূপনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় জ্যাকব এজাহারনামীয় ১২২ নাম্বার আসামি।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে