
বিবিসি বাংলা

ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো ‘অটুট’ থাকলেও তা ‘ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ বা ‘দুর্বল’ হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা তুলসী গ্যাবার্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশ্বব্যাপী হুমকি নিয়ে এক সংসদীয় শুনানিতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সাক্ষ্য দিয়েছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর প্রথম প্রকাশ্য ব্রিফিং।
এর ঠিক একদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালক পদত্যাগ করেছেন এবং জানিয়েছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ‘অনিবার্য হুমকি’ ছিল না।
দেশটির গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী তুলসী গ্যাবার্ড দাবি করেছেন, জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে সংকটের পূর্বাভাস আগেই পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, “গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি বলেই মনে হচ্ছে, তবে তাদের নেতৃত্ব এবং সামরিক সক্ষমতার ওপর হামলার কারণে সেগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
শুনানিতে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ বারবার জানতে চেয়েছিলেন, গ্যাবার্ড ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখছেন কি না। তবে সিআইএ, এফবিআই, এনএসএ ও ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধানদের সঙ্গে উপস্থিত গ্যাবার্ড সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন।
গ্যাবার্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনটা হুমকি আর কোনটা নয়, তা নির্ধারণ করার একমাত্র ব্যক্তি হলেন প্রেসিডেন্ট।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রিপাবলিকা ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের আইনপ্রণেতা ও বিশ্লেষকরাই প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিতে হামলা চালিয়েছে? এ ছাড়া ইরানের দক্ষিণ উপকূলে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সম্ভাব্য সমস্যা সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসন অবগত ছিল কি না, এ নিয়েও জানতে চান তারা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের জন্য হুমকি ছিল। মূলত এ কারণেই উপসাগরীয় দেশটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্ট পদত্যাগ করেন। ট্রাম্পকে লেখা পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো অনিবার্য হুমকি ছিল না। যুদ্ধের জন্য তিনি ট্রাম্পের সমালোচনাও করেন।
তবে বুধবার সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ জানান, তিনি কেন্টের সাথে একমত নন। র্যটক্লিফ বলেন, আমি মনে করি, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি হুমকি ছিল এবং এই মুহূর্তেও এটি একটি তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবেই রয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মূল্যায়ন, ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোর যে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল, দেশটি তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল এবং তাদের পারমাণবিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে অস্বীকার করে আসছিল। গ্যাবার্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এবারের হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিরাট অংশে ধ্বংস হয়ে গেছে।
পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ১২ দিন ধরে ইরানে হামলা চালায়। শুনানির জন্য তৈরি করা লিখিত বক্তব্যে গ্যাবার্ড দাবি করেছিলেন, ওই হামলায় ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি তছনছ হয়ে গেছে এবং ইরান তা পুনর্গঠনের কোনো চেষ্টাই করেনি। তবে তিনি প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যের সময় এ অংশটি এড়িয়ে যান।
ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার এই অংশ বাদ পড়ার কারণ জানতে চাইলে গ্যাবার্ড বলেন, বক্তব্য ‘অনেক দীর্ঘ’ হয়ে যাওয়ায় তাকে কিছু অংশ ছেঁটে ফেলতে হয়েছে।
ওয়ার্নার এর জবাবে বলেন, “তার মানে আপনি সেই অংশগুলো বাদ দিয়েছেন যা প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
ওয়ার্নার মূলত ট্রাম্পের সেই দাবিকে ইঙ্গিত করছিলেন যেখানে বলা হয়েছিল, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারণেই ইরানে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।
আইনপ্রণেতারা আরও জানতে চান, ট্রাম্পের ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের সঙ্গে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কতটা জড়িত ছিলেন? মেইন অঙ্গরাজ্যের স্বতন্ত্র সিনেটর অ্যাঙ্গাস কিং জানতে চান, ট্রাম্প যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন, তখন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা একই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন কি না।
সিআইএ পরিচালক র্যাটক্লিফ জানান, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ‘অনেক’ বৈঠকে ছিলেন, তবে এমন কোনো ‘নির্দিষ্ট মুহূর্ত’ তার জানা নেই, যেখানে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল।
সিনেটর কিং আরও জানতে চান, যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালিতে হামলা করতে পারে, এ বিষয়টি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন কি না?
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
সিআইএ পরিচালক র্যাটক্লিফ বলেন, প্রেসিডন্ট প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা ব্রিফিং পান। পেন্টাগন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল যে, ইরান এ অঞ্চলের ‘জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে মার্কিন স্বার্থে’ আঘাত হানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
তুলসী গ্যাবার্ড উল্লেখ করেন, গোয়েন্দা সংস্থার ‘দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ’ ছিল যে ইরান সম্ভবত হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেবে। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ আগেভাগেই প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল।

ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো ‘অটুট’ থাকলেও তা ‘ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ বা ‘দুর্বল’ হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা তুলসী গ্যাবার্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশ্বব্যাপী হুমকি নিয়ে এক সংসদীয় শুনানিতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সাক্ষ্য দিয়েছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর প্রথম প্রকাশ্য ব্রিফিং।
এর ঠিক একদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালক পদত্যাগ করেছেন এবং জানিয়েছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ‘অনিবার্য হুমকি’ ছিল না।
দেশটির গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী তুলসী গ্যাবার্ড দাবি করেছেন, জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে সংকটের পূর্বাভাস আগেই পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, “গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি বলেই মনে হচ্ছে, তবে তাদের নেতৃত্ব এবং সামরিক সক্ষমতার ওপর হামলার কারণে সেগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
শুনানিতে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ বারবার জানতে চেয়েছিলেন, গ্যাবার্ড ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখছেন কি না। তবে সিআইএ, এফবিআই, এনএসএ ও ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধানদের সঙ্গে উপস্থিত গ্যাবার্ড সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন।
গ্যাবার্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনটা হুমকি আর কোনটা নয়, তা নির্ধারণ করার একমাত্র ব্যক্তি হলেন প্রেসিডেন্ট।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রিপাবলিকা ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের আইনপ্রণেতা ও বিশ্লেষকরাই প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিতে হামলা চালিয়েছে? এ ছাড়া ইরানের দক্ষিণ উপকূলে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সম্ভাব্য সমস্যা সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসন অবগত ছিল কি না, এ নিয়েও জানতে চান তারা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের জন্য হুমকি ছিল। মূলত এ কারণেই উপসাগরীয় দেশটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্ট পদত্যাগ করেন। ট্রাম্পকে লেখা পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো অনিবার্য হুমকি ছিল না। যুদ্ধের জন্য তিনি ট্রাম্পের সমালোচনাও করেন।
তবে বুধবার সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ জানান, তিনি কেন্টের সাথে একমত নন। র্যটক্লিফ বলেন, আমি মনে করি, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি হুমকি ছিল এবং এই মুহূর্তেও এটি একটি তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবেই রয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মূল্যায়ন, ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোর যে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল, দেশটি তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল এবং তাদের পারমাণবিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে অস্বীকার করে আসছিল। গ্যাবার্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এবারের হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিরাট অংশে ধ্বংস হয়ে গেছে।
পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ১২ দিন ধরে ইরানে হামলা চালায়। শুনানির জন্য তৈরি করা লিখিত বক্তব্যে গ্যাবার্ড দাবি করেছিলেন, ওই হামলায় ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি তছনছ হয়ে গেছে এবং ইরান তা পুনর্গঠনের কোনো চেষ্টাই করেনি। তবে তিনি প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যের সময় এ অংশটি এড়িয়ে যান।
ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার এই অংশ বাদ পড়ার কারণ জানতে চাইলে গ্যাবার্ড বলেন, বক্তব্য ‘অনেক দীর্ঘ’ হয়ে যাওয়ায় তাকে কিছু অংশ ছেঁটে ফেলতে হয়েছে।
ওয়ার্নার এর জবাবে বলেন, “তার মানে আপনি সেই অংশগুলো বাদ দিয়েছেন যা প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
ওয়ার্নার মূলত ট্রাম্পের সেই দাবিকে ইঙ্গিত করছিলেন যেখানে বলা হয়েছিল, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারণেই ইরানে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।
আইনপ্রণেতারা আরও জানতে চান, ট্রাম্পের ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের সঙ্গে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কতটা জড়িত ছিলেন? মেইন অঙ্গরাজ্যের স্বতন্ত্র সিনেটর অ্যাঙ্গাস কিং জানতে চান, ট্রাম্প যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন, তখন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা একই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন কি না।
সিআইএ পরিচালক র্যাটক্লিফ জানান, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ‘অনেক’ বৈঠকে ছিলেন, তবে এমন কোনো ‘নির্দিষ্ট মুহূর্ত’ তার জানা নেই, যেখানে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল।
সিনেটর কিং আরও জানতে চান, যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালিতে হামলা করতে পারে, এ বিষয়টি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন কি না?
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
সিআইএ পরিচালক র্যাটক্লিফ বলেন, প্রেসিডন্ট প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা ব্রিফিং পান। পেন্টাগন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল যে, ইরান এ অঞ্চলের ‘জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে মার্কিন স্বার্থে’ আঘাত হানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
তুলসী গ্যাবার্ড উল্লেখ করেন, গোয়েন্দা সংস্থার ‘দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ’ ছিল যে ইরান সম্ভবত হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেবে। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ আগেভাগেই প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ ভিন্ন হতে পারে। ফলে কিছু দেশে একই দিনে ঈদ উদযাপিত হলেও, অন্য দেশে একদিন পর পালিত হবে।
১ ঘণ্টা আগে
কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা শঙ্কা না থাকলেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েক স্তরের সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ডগ স্কোয়াডের পাশাপাশি সোয়াট ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরাও মাঠে সক্রিয় থাকবেন। এছাড়া ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে জায়
২ ঘণ্টা আগে
বৈদ্যুতিক গোলযোগ নাকি অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে করা ৪১ জন প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংরক্ষণে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব আবেদনের বিষয়ে ঈদ ও অবকাশকালীন ছুটির পর
৩ ঘণ্টা আগে