
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছেন ইরানে মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাই সাটো। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দেশটিতে আগে থেকেই মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল নাজুক। এ হামলার পর সে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে এবং মানবিক ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘের এই দূত আরও বলেন, ঘোষিত উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
মাই সাটো তার বক্তব্যে আগের বছরের হামলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। বলেন, গত বছরও আমি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে জাতিসংঘ সনদের অধীনে অবৈধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছিলাম। এবারও বলছি, ঘোষিত বা অনুমানভিত্তিক যে উদ্দেশ্যই দেখানো হোক না কেন, এই হামলাগুলো অবৈধই রয়ে গেছে।
চলমান হামলার মানবিক প্রভাব এরই মধ্যে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন জাতিসংঘের এই বিশেষ দূত। বলেন, সহস্রাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদন এসেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছে। হাসপাতাল ও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হামলার মানবিক মূল্য অপরিসীম।
সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, তেল অবকাঠামোর ওপর হামলার ফলে বিষাক্ত পরিবেশগত প্রভাব তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদক বলেন, এমন একটি দেশে এই সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে যেখানে আগে থেকেই ব্যাপক দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে।
ইরানে ২০২৫ সালে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান সাটো। বলেন, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেশ জুড়ে বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আহত বিক্ষোভকারীদের চিকিৎসা দেওয়া আইনজীবী ও চিকিৎসকদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাটো জানান, বর্তমানে ইরানের ভেতরেই প্রায় ৩০ লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত সাটো বলেন, যদি ইরানের জনগণকে যেকোনো সমাধানের কেন্দ্রে রাখতে হয়, তাহলে অবশ্যই সামরিক উত্তেজনা বন্ধ করতে হবে এবং সব পক্ষকে দ্রুত কূটনৈতিক সংলাপে ফিরতে হবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছেন ইরানে মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাই সাটো। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দেশটিতে আগে থেকেই মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল নাজুক। এ হামলার পর সে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে এবং মানবিক ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘের এই দূত আরও বলেন, ঘোষিত উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
মাই সাটো তার বক্তব্যে আগের বছরের হামলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। বলেন, গত বছরও আমি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে জাতিসংঘ সনদের অধীনে অবৈধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছিলাম। এবারও বলছি, ঘোষিত বা অনুমানভিত্তিক যে উদ্দেশ্যই দেখানো হোক না কেন, এই হামলাগুলো অবৈধই রয়ে গেছে।
চলমান হামলার মানবিক প্রভাব এরই মধ্যে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন জাতিসংঘের এই বিশেষ দূত। বলেন, সহস্রাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদন এসেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছে। হাসপাতাল ও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হামলার মানবিক মূল্য অপরিসীম।
সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, তেল অবকাঠামোর ওপর হামলার ফলে বিষাক্ত পরিবেশগত প্রভাব তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদক বলেন, এমন একটি দেশে এই সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে যেখানে আগে থেকেই ব্যাপক দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে।
ইরানে ২০২৫ সালে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান সাটো। বলেন, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেশ জুড়ে বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আহত বিক্ষোভকারীদের চিকিৎসা দেওয়া আইনজীবী ও চিকিৎসকদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাটো জানান, বর্তমানে ইরানের ভেতরেই প্রায় ৩০ লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত সাটো বলেন, যদি ইরানের জনগণকে যেকোনো সমাধানের কেন্দ্রে রাখতে হয়, তাহলে অবশ্যই সামরিক উত্তেজনা বন্ধ করতে হবে এবং সব পক্ষকে দ্রুত কূটনৈতিক সংলাপে ফিরতে হবে।

চার দিন ধরে চালানো ওই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কার্যক্রমে অনুমোদন জানিয়েছেন। বিপরীতে ৬৪ শতাংশ তার কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে শেষ হওয়া আগের জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ছিল ৩৫ শতাংশ। এবার তা আরও কমে তার বর্তমান মেয়াদের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিচে নে
১৯ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট পদে এটি ছিল হিচিলেমার সপ্তম প্রচেষ্টা। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাড়তি সুবিধা থাকায় তাঁর এই জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। অন্যদিকে, মুন্ডুবিলের জন্য এটি ছিল প্রেসিডেন্ট পদে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর’ নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই দেশের আলোচনা চালানোর নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা এখন ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে। এই সমঝোতার আওতায় তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় সমাধানের আলোচনা করার কথা ছিল।
১ দিন আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২ দিন আগে