
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের চলমান ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতিগতভাবে বাঙালি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের চলমান ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতিগতভাবে বাঙালি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের এই পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় বহু পরিবার মানবেতর পরিস্থিতিতে আটকা পড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত বিএসএফের অন্তত ২১টি ‘পুশ-ইনের’ চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি। এসব ঘটনায় শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মৌলিক মানবাধিকার উপেক্ষা করে পরিবারগুলোকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে অথবা সীমান্তে আটকে রাখছে। ভারতের উচিত বেআইনি বহিষ্কার বন্ধ করা, আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করা।”
প্রতিবেদন তৈরির সময় সংস্থাটি এমন নয়জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা বিএসএফ সদস্যদের রাতের অন্ধকারে মানুষকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করতে দেখেছেন। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে ওই ব্যক্তিদের পরে ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় ৯০ লাখের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এর ফলে বহু মানুষের আটক বা দেশত্যাগে বাধ্য হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৯ সালে আসামে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে ১৯ লাখের বেশি মানুষ রাষ্ট্রহীন হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।
মানবাধিকার সংস্থাটির মতে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। খাদ্য, পানি, আশ্রয় কিংবা চিকিৎসা ছাড়া মানুষকে সীমান্তে ফেলে রাখাও নিষ্ঠুর, অমানবিক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বহিষ্কারের মুখে থাকা ব্যক্তিদের অভিযোগ জানার অধিকার, আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার নিশ্চিত করা ভারতের দায়িত্ব।
শিশুদের জোরপূর্বক বহিষ্কার বা সীমান্তে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখাকে শিশু অধিকার সনদের পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগরিকত্ব যাচাই ও নাগরিক প্রত্যাবাসনের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাগুলো ব্যবহার না করায় সাধারণ মানুষ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে আটকা পড়ছে এবং তাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, “জাতীয়তা যাই হোক না কেন, কাউকে দুই দেশের সশস্ত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে খোলা মাঠে রাত কাটাতে বাধ্য করা উচিত নয়। ভারতের উচিত এই নিষ্ঠুর বহিষ্কার প্রক্রিয়া বন্ধ করা এবং দুই দেশেরই নিশ্চিত করা উচিত যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কখনো মানবিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন না করে।”
রাজনীতি/আরআইআর

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের চলমান ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতিগতভাবে বাঙালি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের চলমান ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতিগতভাবে বাঙালি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের এই পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় বহু পরিবার মানবেতর পরিস্থিতিতে আটকা পড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত বিএসএফের অন্তত ২১টি ‘পুশ-ইনের’ চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি। এসব ঘটনায় শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মৌলিক মানবাধিকার উপেক্ষা করে পরিবারগুলোকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে অথবা সীমান্তে আটকে রাখছে। ভারতের উচিত বেআইনি বহিষ্কার বন্ধ করা, আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করা।”
প্রতিবেদন তৈরির সময় সংস্থাটি এমন নয়জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা বিএসএফ সদস্যদের রাতের অন্ধকারে মানুষকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করতে দেখেছেন। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে ওই ব্যক্তিদের পরে ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় ৯০ লাখের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এর ফলে বহু মানুষের আটক বা দেশত্যাগে বাধ্য হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৯ সালে আসামে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে ১৯ লাখের বেশি মানুষ রাষ্ট্রহীন হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।
মানবাধিকার সংস্থাটির মতে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। খাদ্য, পানি, আশ্রয় কিংবা চিকিৎসা ছাড়া মানুষকে সীমান্তে ফেলে রাখাও নিষ্ঠুর, অমানবিক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বহিষ্কারের মুখে থাকা ব্যক্তিদের অভিযোগ জানার অধিকার, আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার নিশ্চিত করা ভারতের দায়িত্ব।
শিশুদের জোরপূর্বক বহিষ্কার বা সীমান্তে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখাকে শিশু অধিকার সনদের পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগরিকত্ব যাচাই ও নাগরিক প্রত্যাবাসনের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাগুলো ব্যবহার না করায় সাধারণ মানুষ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে আটকা পড়ছে এবং তাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, “জাতীয়তা যাই হোক না কেন, কাউকে দুই দেশের সশস্ত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে খোলা মাঠে রাত কাটাতে বাধ্য করা উচিত নয়। ভারতের উচিত এই নিষ্ঠুর বহিষ্কার প্রক্রিয়া বন্ধ করা এবং দুই দেশেরই নিশ্চিত করা উচিত যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কখনো মানবিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন না করে।”
রাজনীতি/আরআইআর

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে