
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতে শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দেওয়ার সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একদিকে ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন— এ দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সাদা দল ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। তবে শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার চেষ্টা পরস্পরবিরোধী।
তিনি বলেন, “আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ আমরা পারস্পরিক সম্পর্ক রাখব। আমাদের এই পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যে আন্তঃনির্ভরশীলতা আছে, এটিকে আমরা শক্তি হিসেবে মনে করি। আমরা আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। তবে আমরা কখনো আওয়ামী লীগ হতে পারব না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের স্বার্থকে সমুন্নত রেখে পারস্পরিক সম্মান-মর্যাদা, সমান সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে আমরা আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখব। তার মানে এই নয় আপনারা ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবেন আর বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন। দুটো বিপরীতমুখী। আশা করি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ, ভারত সরকার বিষয়টি বুঝবেন।”
ভারতের মুখপাত্র শেখ হাসিনার বক্তব্যকে সমর্থন না করার কথা বললেও তাঁকে বারবার রাজনৈতিক বৈঠক ও সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, “পত্রিকায় দেখলাম ভারতের মুখপাত্র বলছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা যা বলেছেন, তা ভারত সমর্থন করে না। তো ভারত কি তাকে বারবার মিটিং করতে দেওয়াটা সমর্থন করে? এইভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে না।”
শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের নেতাদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমান লন্ডনে বা তিনি ভারতে থেকে রাজনীতি করেছেন—এমন প্রশ্ন তোলা হলেও তাঁদের নির্বাসিত হওয়ার প্রেক্ষাপট শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের সঙ্গে এক নয়।
তিনি বলেন, “এখন বলা হচ্ছে- তারেক রহমান লন্ডনে বসে এবং সালাহউদ্দিন সাহেব ভারতে বসে যদি রাজনীতি করতে পারে, হাসিনার দোষ কী? হ্যাঁ, হাসিনার দোষ আছে। আমরা কেউ ফ্যাসিবাদী ছিলাম না। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের জোরপূর্বক নির্বাসিত করা হয়েছে। এটা হচ্ছে হাসিনার সাথে আমাদের ব্যবধান।”
নিজেদের নির্বাসনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের বস্তাবন্দী করে হাত-পা, চোখ বেঁধে তারপর বস্তাসহকারে ওখানে ফেলে দিয়েছে। এই ব্যতিক্রমগুলো আছে।”
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষের নিহত হওয়ার কথা এসেছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এরপরেও কি তাকে ডেমোক্রেটিক কালচারের কোনো নেতা হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারি? এই প্রশ্ন আমার রইল।”
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, হিটলারের গণহত্যার পর তাঁর দলের বিরুদ্ধে বিচার হয়েছিল। একইভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে বিচার করার কথা বলা হয়েছে।
তিনি জানান, এ-সংক্রান্ত আইনি বিধান করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দলটি রাজনৈতিক দল হিসেবে স্থায়ীভাবে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ বা স্থগিত হবে কি না, তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে কি না—এসব বিষয়ও আইনে রাখা হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “তদন্ত হচ্ছে, আমরা আশা করব সে তদন্ত শেষ হবে। ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনা এবং তার দোসরদের বিচার চলমান। কিছু বিচার সমাপ্ত হয়েছে, আরও অনেকগুলো এখন ফরমাল চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারগুলো চলবে।”
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে এবং আরও মামলা বিচারাধীন। তবে তাঁর মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের সামনে দুঃখপ্রকাশ করেননি। যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছে, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে, তারা নাকি জঙ্গিবাদী তৎপরতার মধ্য দিয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেছে। যদি অপতৎপরতা এবং মিথ্যা বলার কোনো বক্স অফিসে চ্যাম্পিয়ন হতো, সেটা হলো হাসিনার বাক্স।”

ভারতে শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দেওয়ার সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একদিকে ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন— এ দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সাদা দল ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। তবে শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার চেষ্টা পরস্পরবিরোধী।
তিনি বলেন, “আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ আমরা পারস্পরিক সম্পর্ক রাখব। আমাদের এই পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যে আন্তঃনির্ভরশীলতা আছে, এটিকে আমরা শক্তি হিসেবে মনে করি। আমরা আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। তবে আমরা কখনো আওয়ামী লীগ হতে পারব না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের স্বার্থকে সমুন্নত রেখে পারস্পরিক সম্মান-মর্যাদা, সমান সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে আমরা আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখব। তার মানে এই নয় আপনারা ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবেন আর বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন। দুটো বিপরীতমুখী। আশা করি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ, ভারত সরকার বিষয়টি বুঝবেন।”
ভারতের মুখপাত্র শেখ হাসিনার বক্তব্যকে সমর্থন না করার কথা বললেও তাঁকে বারবার রাজনৈতিক বৈঠক ও সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, “পত্রিকায় দেখলাম ভারতের মুখপাত্র বলছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা যা বলেছেন, তা ভারত সমর্থন করে না। তো ভারত কি তাকে বারবার মিটিং করতে দেওয়াটা সমর্থন করে? এইভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে না।”
শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের নেতাদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমান লন্ডনে বা তিনি ভারতে থেকে রাজনীতি করেছেন—এমন প্রশ্ন তোলা হলেও তাঁদের নির্বাসিত হওয়ার প্রেক্ষাপট শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের সঙ্গে এক নয়।
তিনি বলেন, “এখন বলা হচ্ছে- তারেক রহমান লন্ডনে বসে এবং সালাহউদ্দিন সাহেব ভারতে বসে যদি রাজনীতি করতে পারে, হাসিনার দোষ কী? হ্যাঁ, হাসিনার দোষ আছে। আমরা কেউ ফ্যাসিবাদী ছিলাম না। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের জোরপূর্বক নির্বাসিত করা হয়েছে। এটা হচ্ছে হাসিনার সাথে আমাদের ব্যবধান।”
নিজেদের নির্বাসনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের বস্তাবন্দী করে হাত-পা, চোখ বেঁধে তারপর বস্তাসহকারে ওখানে ফেলে দিয়েছে। এই ব্যতিক্রমগুলো আছে।”
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষের নিহত হওয়ার কথা এসেছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এরপরেও কি তাকে ডেমোক্রেটিক কালচারের কোনো নেতা হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারি? এই প্রশ্ন আমার রইল।”
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, হিটলারের গণহত্যার পর তাঁর দলের বিরুদ্ধে বিচার হয়েছিল। একইভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে বিচার করার কথা বলা হয়েছে।
তিনি জানান, এ-সংক্রান্ত আইনি বিধান করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দলটি রাজনৈতিক দল হিসেবে স্থায়ীভাবে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ বা স্থগিত হবে কি না, তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে কি না—এসব বিষয়ও আইনে রাখা হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “তদন্ত হচ্ছে, আমরা আশা করব সে তদন্ত শেষ হবে। ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনা এবং তার দোসরদের বিচার চলমান। কিছু বিচার সমাপ্ত হয়েছে, আরও অনেকগুলো এখন ফরমাল চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারগুলো চলবে।”
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে এবং আরও মামলা বিচারাধীন। তবে তাঁর মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের সামনে দুঃখপ্রকাশ করেননি। যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছে, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে, তারা নাকি জঙ্গিবাদী তৎপরতার মধ্য দিয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেছে। যদি অপতৎপরতা এবং মিথ্যা বলার কোনো বক্স অফিসে চ্যাম্পিয়ন হতো, সেটা হলো হাসিনার বাক্স।”

এক-এগারোর সেনা-সমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আত্মসমর্পণ না করায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে সাড়ে ছয় বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে