
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুই জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার এবং দুই সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচীর কার্যালয়ে হামলায় জড়িত সন্দেহে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব হামলায় জড়িত হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে’র অংশ হিসেবে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের পর আগুন দেওয়া হয়। একই রাতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় ছায়ানট ভবন। পরে শুক্রবার উদীচীর ঢাকা কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব হামলায় জড়িত হিসেবে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাতজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সাতজনের বাইরে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বিশেষ বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।
শেরপুর জেলার বাসিন্দা গ্রেপ্তার রাকিব হোসেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তার আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি পোস্ট করা হয়। তিনি ফেসবুকে তার আইডি থেকে উসকানিমূলক পোস্টও করেন।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি মোট এক লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছেন। সে টাকা দিয়ে সে মোহাম্মদপুর থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনেছিলেন, যা এরই মধ্যে জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার বাকিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

দুই জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার এবং দুই সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচীর কার্যালয়ে হামলায় জড়িত সন্দেহে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব হামলায় জড়িত হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে’র অংশ হিসেবে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের পর আগুন দেওয়া হয়। একই রাতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় ছায়ানট ভবন। পরে শুক্রবার উদীচীর ঢাকা কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব হামলায় জড়িত হিসেবে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাতজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সাতজনের বাইরে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বিশেষ বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।
শেরপুর জেলার বাসিন্দা গ্রেপ্তার রাকিব হোসেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তার আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি পোস্ট করা হয়। তিনি ফেসবুকে তার আইডি থেকে উসকানিমূলক পোস্টও করেন।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি মোট এক লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছেন। সে টাকা দিয়ে সে মোহাম্মদপুর থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনেছিলেন, যা এরই মধ্যে জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার বাকিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

জুলাই আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিট
৬ ঘণ্টা আগে