
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রাথমিকের ২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনের প্রশ্নোত্তরপর্বে তিনি এ তথ্য জানান। এটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দকৃত প্রথমবারের মতো প্রশ্নোত্তরপর্ব।
এদিনের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়। সেখানে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীরের প্রশ্নের জবাবে বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী- সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’
তিনি জানান, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে ইতালিয়ান ও জাপানি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৪১৮টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রাথমিকের ২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনের প্রশ্নোত্তরপর্বে তিনি এ তথ্য জানান। এটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দকৃত প্রথমবারের মতো প্রশ্নোত্তরপর্ব।
এদিনের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়। সেখানে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীরের প্রশ্নের জবাবে বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী- সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’
তিনি জানান, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে ইতালিয়ান ও জাপানি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৪১৮টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "নতুন বছরের প্রথম দিনেই যেন শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতেই আজকের এই পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাপাখানার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।"
৩ ঘণ্টা আগে
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, পল্লী উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে নির্বাচিত সরকার কাজ করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক বা হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হবে। মা ও শিশুর নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
এই সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়৷
৪ ঘণ্টা আগে