
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে ৯৮ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং বাকি ২ শতাংশকেও টিকার আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চীনের দূতাবাস ও চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, বিগত সময়ে কেন হামের টিকা দেওয়া হয়নি, সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে সরকার। এসময় জুন মাস থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘এ মুহূর্তে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের ঘাটতি থাকলেও জুন নাগাদ তা পূরণ হয়ে যাবে। আর হাম নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে অনেক ভুল তথ্য আসছে।’
তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টির্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবো না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাবো। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেবো। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, যেসব বাচ্চারা টিকার আওতায় আসেনি তাদের খুঁজে খুঁজে আমরা টিকা দেব। আমাদের রুটিন ইপিআই চলমান রয়েছে। টিকা নিয়ে কি ভুল করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়ের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন কিনা, এমন প্রশ্ন উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত করবো না সেটা বলিনি। এখন আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্তের সংখ্যা ৮৭। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৮১ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৩২ হাজার ৮৭৭ শিশু।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে যে তিন শিশু মারা গেছে, তারা ঢাকা বিভাগের।
একই সময়ে হামের উপসর্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনায় একজন করে মোট চারজন মারা গেছে। সিলেটে এই সংখ্যা দুজন।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৩৫৬ জন। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৬৮ জন। মোট মৃত্যু ৪২৪ জন।

দেশে ৯৮ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং বাকি ২ শতাংশকেও টিকার আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চীনের দূতাবাস ও চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, বিগত সময়ে কেন হামের টিকা দেওয়া হয়নি, সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে সরকার। এসময় জুন মাস থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘এ মুহূর্তে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের ঘাটতি থাকলেও জুন নাগাদ তা পূরণ হয়ে যাবে। আর হাম নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে অনেক ভুল তথ্য আসছে।’
তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টির্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবো না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাবো। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেবো। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, যেসব বাচ্চারা টিকার আওতায় আসেনি তাদের খুঁজে খুঁজে আমরা টিকা দেব। আমাদের রুটিন ইপিআই চলমান রয়েছে। টিকা নিয়ে কি ভুল করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়ের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন কিনা, এমন প্রশ্ন উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত করবো না সেটা বলিনি। এখন আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্তের সংখ্যা ৮৭। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৮১ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৩২ হাজার ৮৭৭ শিশু।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে যে তিন শিশু মারা গেছে, তারা ঢাকা বিভাগের।
একই সময়ে হামের উপসর্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনায় একজন করে মোট চারজন মারা গেছে। সিলেটে এই সংখ্যা দুজন।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৩৫৬ জন। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৬৮ জন। মোট মৃত্যু ৪২৪ জন।

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি উগ্রবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাদের লক্ষ্য ছিল খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা। রোববার সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের এক দিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দক্ষিণ পাশে লালমাই পাহাড়ের গভীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুহিন, আনাস ও ফাহিম ন
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘ঘাতকদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মহাসড়ক উত্তাল করে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালি
১১ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
১ দিন আগে