
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া বক্তব্যে তরুণ রাজনীতিবিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যায় জড়িতদের ভারতে পলায়ন ইস্যুতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে৷ তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ও ওসমান হাদি হত্যা নিজের অভিমত তুলে ধরেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার কলকাতার ধর্মতলায় এক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (স্পেশাল টাস্ক ফোর্স) গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাই— ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে।’
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উদ্দেশে বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও মনে রাখবেন, আমি কিন্তু সবটাই জানি।... আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে।’
মমতার এ বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে ফয়েজ তৈয়ব বলেন, “শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য মমতা প্রকাশ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। মমতা প্রশ্ন করেছেন, 'কাকে দিয়ে খুন করিয়েছেন?' এবং উনি সেটা জানেন, তা প্রকাশ করলে 'বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে'। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার দেশের স্বার্থে হাদির খুনিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গোপন রাখতে মমতাকে ফোন করে চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।”
ফয়েজ তৈয়ব লিখেছেন, “এর মাধ্যমে ওসমান হাদি হত্যায় ভারতের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসলো। অর্থাৎ এই কাজে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' যুক্ত থাকার সুস্পষ্ট আভাস এসেছে।”
তবে এ ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের ভেতরে কারা জড়িত থাকতে পারে, সে প্রশ্নও তোলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই কর্মকর্তা। তার ভাষায়, “তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বাংলাদেশে 'র' এর অ্যাসেট হিসেবে ঠিক কারা কাজ করেছে? এখানকার কোনো ব্যক্তি অ্যাসেট, নাকি সংস্থা?”
পোস্টে ফয়েজ তৈয়ব হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের পালিয়ে যাওয়ার পথ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, “হাদির হত্যাকারীরা দুপুর আড়াইটা থেকে রাত পৌনে ১১টায় দেশের অভ্যন্তরে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিয়ে নেত্রকোনা সীমান্তে পৌঁছে এবং সেখানে চোরাচালানের একটা পপুলার রুট ব্যবহার করে।”
তৈয়্যব আহমেদের মতে, সীমান্ত সিল করার নির্দেশনা থাকার পরও সংশ্লিষ্ট রুট নিয়ন্ত্রণে না আসা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তিনি লিখেছেন, “সাড়ে চার ঘণ্টা পরেও এই পয়েন্টটি বিজিবির নিয়ন্ত্রণে আসলো না, এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ব্যর্থতা নয়। বিজিবি প্রধানকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার দাবি, একটি ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা সন্ধ্যার আগেই সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে সক্ষম হলেও রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তা করতে অনেক বেশি সময় নিয়েছে।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, “প্রশ্ন একটাই— এটা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এখানে কারও কারও সুপরিকল্পিত নিষ্ক্রিয়তা ছিল?”
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের সম্ভাব্য গতিপথও পোস্টে উল্লেখ করেন ফয়েজ তৈয়ব। তার বর্ণনা অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করে রাজধানী থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় পৌঁছায় এবং পরে সীমান্ত অতিক্রম করে।
সবশেষে তিনি লিখেছেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চিহ্নিত করার আগেই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খুনিরা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হওয়াটা আমাদের ভয়ানক দুর্বলতা এবং ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি না থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ (কিংবা কম্প্রমাইজড ক্যাপাসিটির)। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার খাতিরে এমন ব্যর্থতা উত্তরণের স্থায়ী সমাধান লাগবে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলবারের বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরও অনেকেও। ওসমান হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া বক্তব্যে তরুণ রাজনীতিবিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যায় জড়িতদের ভারতে পলায়ন ইস্যুতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে৷ তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ও ওসমান হাদি হত্যা নিজের অভিমত তুলে ধরেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার কলকাতার ধর্মতলায় এক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (স্পেশাল টাস্ক ফোর্স) গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাই— ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে।’
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উদ্দেশে বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও মনে রাখবেন, আমি কিন্তু সবটাই জানি।... আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে।’
মমতার এ বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে ফয়েজ তৈয়ব বলেন, “শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য মমতা প্রকাশ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। মমতা প্রশ্ন করেছেন, 'কাকে দিয়ে খুন করিয়েছেন?' এবং উনি সেটা জানেন, তা প্রকাশ করলে 'বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে'। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার দেশের স্বার্থে হাদির খুনিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গোপন রাখতে মমতাকে ফোন করে চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।”
ফয়েজ তৈয়ব লিখেছেন, “এর মাধ্যমে ওসমান হাদি হত্যায় ভারতের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসলো। অর্থাৎ এই কাজে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' যুক্ত থাকার সুস্পষ্ট আভাস এসেছে।”
তবে এ ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের ভেতরে কারা জড়িত থাকতে পারে, সে প্রশ্নও তোলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই কর্মকর্তা। তার ভাষায়, “তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বাংলাদেশে 'র' এর অ্যাসেট হিসেবে ঠিক কারা কাজ করেছে? এখানকার কোনো ব্যক্তি অ্যাসেট, নাকি সংস্থা?”
পোস্টে ফয়েজ তৈয়ব হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের পালিয়ে যাওয়ার পথ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, “হাদির হত্যাকারীরা দুপুর আড়াইটা থেকে রাত পৌনে ১১টায় দেশের অভ্যন্তরে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিয়ে নেত্রকোনা সীমান্তে পৌঁছে এবং সেখানে চোরাচালানের একটা পপুলার রুট ব্যবহার করে।”
তৈয়্যব আহমেদের মতে, সীমান্ত সিল করার নির্দেশনা থাকার পরও সংশ্লিষ্ট রুট নিয়ন্ত্রণে না আসা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তিনি লিখেছেন, “সাড়ে চার ঘণ্টা পরেও এই পয়েন্টটি বিজিবির নিয়ন্ত্রণে আসলো না, এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ব্যর্থতা নয়। বিজিবি প্রধানকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার দাবি, একটি ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা সন্ধ্যার আগেই সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে সক্ষম হলেও রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তা করতে অনেক বেশি সময় নিয়েছে।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, “প্রশ্ন একটাই— এটা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এখানে কারও কারও সুপরিকল্পিত নিষ্ক্রিয়তা ছিল?”
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের সম্ভাব্য গতিপথও পোস্টে উল্লেখ করেন ফয়েজ তৈয়ব। তার বর্ণনা অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করে রাজধানী থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় পৌঁছায় এবং পরে সীমান্ত অতিক্রম করে।
সবশেষে তিনি লিখেছেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চিহ্নিত করার আগেই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খুনিরা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হওয়াটা আমাদের ভয়ানক দুর্বলতা এবং ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি না থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ (কিংবা কম্প্রমাইজড ক্যাপাসিটির)। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার খাতিরে এমন ব্যর্থতা উত্তরণের স্থায়ী সমাধান লাগবে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলবারের বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরও অনেকেও। ওসমান হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিইআরসি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারিতে প্রতি ইউনিটের বর্তমান দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে গড় দাম ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১.৫২ টাকা বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা। নতুন এ দাম জুন থেকেই কার্যকর হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে মাফ চেয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’ সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে ন্
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জেমসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, "জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে তৈরি পণ্য আমদানির বিষয়টি মোকাবিলায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের ব্যর্থতা অগ্রহণযোগ্য।
৯ ঘণ্টা আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে তিনি
৯ ঘণ্টা আগে