
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকায় থাকা ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে নির্ধারিত টাকা জমা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য এই খাতে ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রকল্পের শুরুর দিকে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক বিশ্লেষণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই পাঁচটি শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। প্রাথমিক তালিকায় থাকা ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারকে চূড়ান্তভাবে সঠিক ও ভাতার যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।
তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্যরা সরেজমিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকায় থাকা ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে নির্ধারিত টাকা জমা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য এই খাতে ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রকল্পের শুরুর দিকে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক বিশ্লেষণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই পাঁচটি শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। প্রাথমিক তালিকায় থাকা ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারকে চূড়ান্তভাবে সঠিক ও ভাতার যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।
তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্যরা সরেজমিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নাসির উদ্দীন বলেন, ‘যুবদল নেতা সোহানুর রহমান রঞ্জু হত্যা মামলায় মোট আসামি ১৯৫ জন। এর মধ্যে ৭০ জন জামিনে আছেন। শেখ হাসিনাসহ ১২৫ আসামি পলাতক রয়েছেন। বিএনপি কর্মী আব্দুল লতিফ হত্যা মামলায় মোট আসামি ১৭৮ জন। এর মধ্যে জামিনে আছেন ৪১ জন। শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩৭ আ
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক এক জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মশালায় বজ্রপাতের ঝুঁকি রোধে চলমান উদ্যোগ পর্যালোচনা, ঘাটতি, চ্যালেঞ্জ শনাক্তসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গৃহীত
৮ ঘণ্টা আগে
যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও শেনজেনভুক্ত কোনো দেশে অবস্থান করলে সেই দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। এজন্য বিজ্ঞপ্তিতে ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা ও প্রত্যাখ্যান এড়াতে নাগরিকদের ভিসার নিয়মকানুন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকায় আসছেন মার্কিন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ফর সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
৯ ঘণ্টা আগে