
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফোরকান মোল্লার (৪০) ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি মোবাইলটি পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে রেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন, যা সেখানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে। এর পর থেকে তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।
তিনি বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনকে হত্যার দুদিন পর সোমবার সকাল ৬টা ৪২ মিনিটে প্রাইভেট কারে করে ফোরকান পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি থামেন। পরে সেতুর রেলিংয়ের ওপর ফোরকান নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রেখে ২ থেকে ৩ মিনিট পর নদীতে ঝাঁপ দেন।
পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন আরও বলেন, ‘এ সময় তার পরনে সাদা সার্ট ও কালো প্যান্ট ছিল। পরে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাক চালকের এক সহকারী মোবাইল ফোনটি দেখে কুড়িয়ে নেন এবং মেহেরপুরে চলে যান। পরে ওই দিনই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মেহেরপুর থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে মো. ফোরকান মোল্লা (৪০) পেশায় প্রাইভেট কার চালক। পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয় গোপালগঞ্জের পাইককান্দি গ্রামের মোছা. শারমিনের (৩৫) সঙ্গে।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘তাদের সংসারে তিন মেয়ে মীম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) জন্ম নেয়। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে ফোরকান স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৮ মে রাতে ফোরকান তার শ্যালক রসূল মোল্লাকে (২২) পোশাক কারখানায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে কাপাসিয়ায় ডেকে নেন। এরপর রাত ৮টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে কোনো এক সময়ে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ বা অচেতন করা পদার্থ মিশিয়ে স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে খাওয়ান। পরে চাপাতি দিয়ে তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরদিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় পাঁচজনের লাশ উদ্ধার হলে এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শারমিনের বাবা মো. শাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় কাপাসিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. যোবায়েরের ওপর।
পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার মেহেরপুর সদর এলাকা থেকে ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পুরো পরিবারকে হত্যার পর আত্মগোপনের পরিবর্তে ‘আত্মহত্যা’ করেন ফোরকান। তবে তিনি জীবিত নাকি নদীতে ডুবে মারা গেছেন, সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফোরকান মোল্লার (৪০) ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি মোবাইলটি পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে রেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন, যা সেখানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে। এর পর থেকে তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।
তিনি বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনকে হত্যার দুদিন পর সোমবার সকাল ৬টা ৪২ মিনিটে প্রাইভেট কারে করে ফোরকান পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি থামেন। পরে সেতুর রেলিংয়ের ওপর ফোরকান নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রেখে ২ থেকে ৩ মিনিট পর নদীতে ঝাঁপ দেন।
পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন আরও বলেন, ‘এ সময় তার পরনে সাদা সার্ট ও কালো প্যান্ট ছিল। পরে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাক চালকের এক সহকারী মোবাইল ফোনটি দেখে কুড়িয়ে নেন এবং মেহেরপুরে চলে যান। পরে ওই দিনই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মেহেরপুর থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে মো. ফোরকান মোল্লা (৪০) পেশায় প্রাইভেট কার চালক। পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয় গোপালগঞ্জের পাইককান্দি গ্রামের মোছা. শারমিনের (৩৫) সঙ্গে।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘তাদের সংসারে তিন মেয়ে মীম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) জন্ম নেয়। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে ফোরকান স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৮ মে রাতে ফোরকান তার শ্যালক রসূল মোল্লাকে (২২) পোশাক কারখানায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে কাপাসিয়ায় ডেকে নেন। এরপর রাত ৮টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে কোনো এক সময়ে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ বা অচেতন করা পদার্থ মিশিয়ে স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে খাওয়ান। পরে চাপাতি দিয়ে তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরদিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় পাঁচজনের লাশ উদ্ধার হলে এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শারমিনের বাবা মো. শাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় কাপাসিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. যোবায়েরের ওপর।
পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার মেহেরপুর সদর এলাকা থেকে ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পুরো পরিবারকে হত্যার পর আত্মগোপনের পরিবর্তে ‘আত্মহত্যা’ করেন ফোরকান। তবে তিনি জীবিত নাকি নদীতে ডুবে মারা গেছেন, সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এরপর পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তাদের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর উচ্চবাচ্য হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়া থেকে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, ট্রাইব্যুনালে তিনি কী বলতে চাচ্ছিলেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম যে আমা
৪ ঘণ্টা আগে
টুথপেস্ট বা অন্যান্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক কিংবা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে অবহিত করা এবং বিষয়টি যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে এ ধরনের গবেষণা
৪ ঘণ্টা আগে
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেটের তিনজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দারাও রয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
উদীচী এই পরিস্থিতিতে ‘প্রতিবাদস্বরূপ’ ৩১ জুলাইয়ের পূর্বঘোষিত সাংস্কৃতিক সমাবেশ স্থগিত করতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, আগামী ৫ আগস্ট বিকেল ৫টায় উদীচী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী পালন করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে