
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে চলমান হামের রাষ্ট্রীয় টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ আখ্যা দিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা এবং সাবেক সব উপদেষ্টাসহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আর্জি জানানো হয়েছে।
আজ রোববার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন।
রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে হামের টিকাকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।
এই আইনি পদক্ষেপে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম।
এর আগে, গত ৬ এপ্রিল একই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বরাবরে একটি আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এই আইনজীবী। ওই নোটিশে পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল। নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম জানান, দেশে আবারও হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই রোগের সংক্রমণে ইতিমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এমন জনস্বাস্থ্য সংকটের মুখে রাষ্ট্রীয় টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে তিনি বড় ধরণের অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেন।
রিটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূরজাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ ২৪ জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। হামের মতো জরুরি টিকা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় হাত থেকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পেছনে কোনো অশুভ বা অপরাধমূলক স্বার্থ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে চলমান হামের রাষ্ট্রীয় টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ আখ্যা দিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা এবং সাবেক সব উপদেষ্টাসহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আর্জি জানানো হয়েছে।
আজ রোববার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন।
রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে হামের টিকাকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।
এই আইনি পদক্ষেপে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম।
এর আগে, গত ৬ এপ্রিল একই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বরাবরে একটি আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এই আইনজীবী। ওই নোটিশে পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল। নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম জানান, দেশে আবারও হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই রোগের সংক্রমণে ইতিমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এমন জনস্বাস্থ্য সংকটের মুখে রাষ্ট্রীয় টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে তিনি বড় ধরণের অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেন।
রিটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূরজাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ ২৪ জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। হামের মতো জরুরি টিকা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় হাত থেকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পেছনে কোনো অশুভ বা অপরাধমূলক স্বার্থ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জুলফিকার হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ অধিবেশন নিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিল আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের পরবর্তী নিয়মিত অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে—এই দুটি সময় ব্যাপ্তির মিল থাকায় বিশেষ অধিবেশনের আপ
৭ ঘণ্টা আগে
সরকার মনে করলে আগস্টে বিশেষ অধিবেশন হতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিলো আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের নেক্সট অধিবেশন ৬০দিনের মধ্যে, ২টি টাইম ম্যাচ করছে সেহেতু বিশেষ অধিবেশনের
৮ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
৯ ঘণ্টা আগে