
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সাতাশ বছর আগে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর করা মামলায় বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবেক তিন কর্মকর্তাকে ৪৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে পারস্পরিক যোগসাজোশে জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অতিরিক্তি ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের পিপি মো. রেজাউল করিম রনি। পৃথক ছয়টি ধারায় তিনজন আসামির প্রত্যেককে এই সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) অফিসের সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন, একই কার্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) মো. কামরুল আলম এবং সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) সাদিকুর রহমান খান।
দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে তিনজনই পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পিপি মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ধারায় দেওয়া সাজা এক সঙ্গে কার্যকর হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
আদালতের রায়ে দণ্ডবিধির পাঁচটি ধারায় ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছর করে, দুটি ধারায় ৭ বছর করে এবং অন্য দুটি ধারায় ৫ বছর করে মোট ৪৪ বছর সাজা দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়াও ছয় ধারায় ভিন্ন ভিন্ন অংকে প্রত্যেককে মোট এক কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে প্রত্যেককে মোট আরও তিন বছর ৬ মাসের সাজাও দেওয়া হয়।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে আসামি মোহাম্মদ হোসেন যে পরিমাণ টাকা তোলার কথা ছিল তার চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ২৪টি চেকের মাধ্যমে তুলে নেন তিনি। এই টাকা ক্যাশবুকে প্রদর্শন করা হয়নি এবং সরকারি কোষাগারেও জমা পড়েনি।
ওই সময়ে অতিরিক্ত টাকা তুলতে ক্ষমতাপত্র প্রদানের মাধ্যমে তাকে সহায়তা করেন তিন বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামরুল আলম, মো. সাদিকুর রহমান খান ও স্বপন কুমার মিত্র।
এই চারজনের বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সেসময়ে চট্টগ্রামের জেলা দুর্নীতি দমন অফিসার মো. নুর আহাম্মদ বাদী হয়ে ১৯৯৯ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন।
দণ্ডবিধির ৭টি ধারায় এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছিল। এই মামলার তদন্ত চলাকালে দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত হয় এবং এক আসামি স্বপন কুমার মিত্র মারা যান। পরে ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে তিন আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়।
প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে জমা দেওয়া দুদকের অভিযোগপত্রে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৪ সালের ৮ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এই রায় দেন।

সাতাশ বছর আগে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর করা মামলায় বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবেক তিন কর্মকর্তাকে ৪৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে পারস্পরিক যোগসাজোশে জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অতিরিক্তি ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের পিপি মো. রেজাউল করিম রনি। পৃথক ছয়টি ধারায় তিনজন আসামির প্রত্যেককে এই সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) অফিসের সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন, একই কার্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) মো. কামরুল আলম এবং সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) সাদিকুর রহমান খান।
দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে তিনজনই পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পিপি মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ধারায় দেওয়া সাজা এক সঙ্গে কার্যকর হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
আদালতের রায়ে দণ্ডবিধির পাঁচটি ধারায় ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছর করে, দুটি ধারায় ৭ বছর করে এবং অন্য দুটি ধারায় ৫ বছর করে মোট ৪৪ বছর সাজা দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়াও ছয় ধারায় ভিন্ন ভিন্ন অংকে প্রত্যেককে মোট এক কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে প্রত্যেককে মোট আরও তিন বছর ৬ মাসের সাজাও দেওয়া হয়।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে আসামি মোহাম্মদ হোসেন যে পরিমাণ টাকা তোলার কথা ছিল তার চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ২৪টি চেকের মাধ্যমে তুলে নেন তিনি। এই টাকা ক্যাশবুকে প্রদর্শন করা হয়নি এবং সরকারি কোষাগারেও জমা পড়েনি।
ওই সময়ে অতিরিক্ত টাকা তুলতে ক্ষমতাপত্র প্রদানের মাধ্যমে তাকে সহায়তা করেন তিন বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামরুল আলম, মো. সাদিকুর রহমান খান ও স্বপন কুমার মিত্র।
এই চারজনের বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সেসময়ে চট্টগ্রামের জেলা দুর্নীতি দমন অফিসার মো. নুর আহাম্মদ বাদী হয়ে ১৯৯৯ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন।
দণ্ডবিধির ৭টি ধারায় এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছিল। এই মামলার তদন্ত চলাকালে দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত হয় এবং এক আসামি স্বপন কুমার মিত্র মারা যান। পরে ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে তিন আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়।
প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে জমা দেওয়া দুদকের অভিযোগপত্রে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৪ সালের ৮ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এই রায় দেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ৭৮৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে মারা গেছে ৯৫ শিশু। বাকি ৬৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
৯ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর সাতটি মোড়ে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়। এসব মোড় হলো—হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, সোনারগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং জাহাঙ্গীর গেট।
১১ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বিশ্বে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও বাণিজ্য, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী।
১২ ঘণ্টা আগে
বেলা সাড়ে ১১টায় পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো স্লুইসগেটের দায়িত্বে থাকবে না। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাই এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে।’
১৩ ঘণ্টা আগে