
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মাদ মহসিন রশীদ।
বুধবার (২৪ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনি এ রিট করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে এই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক অব্যাহতিপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের পক্ষে ওই রিট করেছিলেন তারা।
গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা বা এখতিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নেই— এমন চ্যালেঞ্জ করা হয় ওই রিটে আবেদনে। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি আবেদনটি খারিজ করে দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এ রিট আবেদনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ বা ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই। এই আইন সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।
এটি চ্যালেঞ্জ করার আবেদনও খারিজ করা হয়েছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তাই বিচার প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী চলবে। যারা এমন প্রশ্ন উত্থাপন করছেন, তাদের আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ১৯৭৩ সালের ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টকে একটা ব্ল্যাংকেট প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে। এই আইনের ব্যাপারে কোনো সাংবিধানিক আদালতে কোনো প্রশ্নই তোলা যাবে না। এই আইনে যার বিচার হচ্ছে— সে রকম কোনো ব্যক্তি মৌলিক অধিকার দাবি করে হাইকোর্ট ডিভিশনে বা সাংবিধানিক আদালতে কোনো আবেদন করতে পারবেন না।
এরও আগে ২০১২ সালের ১৩ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে হাইকোর্টে ওই রিট দায়ের করেছিলেন চট্টগ্রামের আইনজীবী মোরশেদুর রহমান চৌধুরী। সেদিন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৩(২) ধারা সংশোধনীর বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছিল।
আগে সশস্ত্র বাহিনী ও সহায়ক বাহিনীর সদস্যদের বিচারের জন্য আইনটি হয়েছিল। ২০০৯ সালে এর সঙ্গে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে বিচার করা যাবে— এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। হাইকোর্ট এর আগে এ সংক্রান্ত আরও চারটি মামলার নিষ্পত্তি করেছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মাদ মহসিন রশীদ।
বুধবার (২৪ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনি এ রিট করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে এই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক অব্যাহতিপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের পক্ষে ওই রিট করেছিলেন তারা।
গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা বা এখতিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নেই— এমন চ্যালেঞ্জ করা হয় ওই রিটে আবেদনে। শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি আবেদনটি খারিজ করে দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এ রিট আবেদনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ বা ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই। এই আইন সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।
এটি চ্যালেঞ্জ করার আবেদনও খারিজ করা হয়েছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তাই বিচার প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী চলবে। যারা এমন প্রশ্ন উত্থাপন করছেন, তাদের আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ১৯৭৩ সালের ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টকে একটা ব্ল্যাংকেট প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে। এই আইনের ব্যাপারে কোনো সাংবিধানিক আদালতে কোনো প্রশ্নই তোলা যাবে না। এই আইনে যার বিচার হচ্ছে— সে রকম কোনো ব্যক্তি মৌলিক অধিকার দাবি করে হাইকোর্ট ডিভিশনে বা সাংবিধানিক আদালতে কোনো আবেদন করতে পারবেন না।
এরও আগে ২০১২ সালের ১৩ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে হাইকোর্টে ওই রিট দায়ের করেছিলেন চট্টগ্রামের আইনজীবী মোরশেদুর রহমান চৌধুরী। সেদিন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৩(২) ধারা সংশোধনীর বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছিল।
আগে সশস্ত্র বাহিনী ও সহায়ক বাহিনীর সদস্যদের বিচারের জন্য আইনটি হয়েছিল। ২০০৯ সালে এর সঙ্গে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে বিচার করা যাবে— এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। হাইকোর্ট এর আগে এ সংক্রান্ত আরও চারটি মামলার নিষ্পত্তি করেছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনকে আহ্বায়ক করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো কোনো সরকারি নথিতে নবম জাতীয় পে স্কেলের বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শুধু নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা নয়, এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি, সময়কাল, বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ এবং এ খাতে বাজেট বরাদ্দের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার দায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুজন সেনকে পাঁচ বছরের জন্য একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ বছর তিনি কোনো ধরনের ইনক্রিমেন্ট পাবেন না।
১৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে