
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক সময় আওয়ামী লীগ সরকার যে আইন প্রণয়ন করেছিলো, সে আইনেই দলটির নিষিদ্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম। তার ভাষ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সন্ত্রাসের অভিযোগে চলমান তদন্তে আওয়ামী লীগ দোষী প্রমাণিত হলে বিদ্যমান আইনের আওতায় দলটি নিষিদ্ধ এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠন হিসেবে দলটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংগঠন দোষী সাব্যস্ত হলে সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সেই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে পারে। একই সঙ্গে আইনে সংগঠনের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও বিধান রয়েছে।
প্রধান কৌঁসুলি বলেন, ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করেছিল। পরে ২০১৩ সালে ওই আইনের ২ নম্বর ধারায় সংশোধন এনে 'সংগঠন' শব্দটি যুক্ত করা হয়। একইভাবে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদেও আওয়ামী লীগ সরকার সংশোধনী আনে।
তার ভাষ্য, ২০২৪ সালে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করতে আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ধারা ব্যবহার করেছিল। সেই একই আইনের বিধান প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
আইনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, আইন নিজে কখনও খারাপ নয়। তবে কোনো আইন অপব্যবহার বা লঙ্ঘন করা হলে সেটিই অপরাধ।
আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বাকশাল প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক দল ও সংবাদপত্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা, রক্ষীবাহিনী গঠন এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করার মতো অভিযোগ রয়েছে দলটির বিরুদ্ধে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ভূমিকা, অর্থপাচার এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নের অভিযোগও তদন্তে বিবেচনায় রয়েছে।
শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে প্রধান কৌঁসুলি বলেন, গুম, অপহরণ, ক্রসফায়ার, শাপলা চত্বর এবং জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় (সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি) রয়েছে বলে প্রসিকিউশনের দাবি। তিনি দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানান।
তদন্ত কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, বর্তমানে অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু আওয়ামী লীগ হলেও তদন্তে অন্য কোনো দল বা ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সেটিও তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হবে। তদন্ত সংস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

এক সময় আওয়ামী লীগ সরকার যে আইন প্রণয়ন করেছিলো, সে আইনেই দলটির নিষিদ্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম। তার ভাষ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সন্ত্রাসের অভিযোগে চলমান তদন্তে আওয়ামী লীগ দোষী প্রমাণিত হলে বিদ্যমান আইনের আওতায় দলটি নিষিদ্ধ এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠন হিসেবে দলটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংগঠন দোষী সাব্যস্ত হলে সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সেই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে পারে। একই সঙ্গে আইনে সংগঠনের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও বিধান রয়েছে।
প্রধান কৌঁসুলি বলেন, ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করেছিল। পরে ২০১৩ সালে ওই আইনের ২ নম্বর ধারায় সংশোধন এনে 'সংগঠন' শব্দটি যুক্ত করা হয়। একইভাবে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদেও আওয়ামী লীগ সরকার সংশোধনী আনে।
তার ভাষ্য, ২০২৪ সালে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করতে আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ধারা ব্যবহার করেছিল। সেই একই আইনের বিধান প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
আইনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, আইন নিজে কখনও খারাপ নয়। তবে কোনো আইন অপব্যবহার বা লঙ্ঘন করা হলে সেটিই অপরাধ।
আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বাকশাল প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক দল ও সংবাদপত্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা, রক্ষীবাহিনী গঠন এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করার মতো অভিযোগ রয়েছে দলটির বিরুদ্ধে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ভূমিকা, অর্থপাচার এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নের অভিযোগও তদন্তে বিবেচনায় রয়েছে।
শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে প্রধান কৌঁসুলি বলেন, গুম, অপহরণ, ক্রসফায়ার, শাপলা চত্বর এবং জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় (সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি) রয়েছে বলে প্রসিকিউশনের দাবি। তিনি দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানান।
তদন্ত কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, বর্তমানে অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু আওয়ামী লীগ হলেও তদন্তে অন্য কোনো দল বা ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সেটিও তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হবে। তদন্ত সংস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে