
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের বাড়িতে মালামাল ও সম্পদের তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সেখানে অভিযান চালিয়েছে দুদকের একটি দল।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতের আদেশে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির ওই বাড়িটি জব্দ করা হয়েছিল। সোমবার সেখানে দুদকের একটি দল পৌঁছে সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে।
দুদকের মুখপাত্র তানজীর আহমেদ এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে বাড়িটিতে কী ধরনের সম্পদ পাওয়া গেছে কিংবা তালিকা তৈরির কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি দুদক।
আদালতের নথি অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩৯টি স্থাবর সম্পদ ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল জব্দ করা হয়। এসব সম্পত্তির মধ্যে জলসিঁড়ির আটতলা বাড়িটিও রয়েছে।
জব্দ করা সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় সেগুলো বেহাত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম। তার আবেদনের পর ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সম্পত্তিগুলোর নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের আদেশ দেন।
জলসিঁড়ির বাড়িসহ তালিকাভুক্ত কয়েকটি সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাকে অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।
এ ছাড়া সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়।
আদালতের আদেশে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপারদের ওই তত্ত্বাবধায়কদের সব ধরনের আইনগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা দিতে বলা হয়।
তত্ত্বাবধায়কদের সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের হিসাব দুই মাসের মধ্যে আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তি থেকে আয় করা অর্থ সার্ভিস চার্জ বাদ দিয়ে তফসিলি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ১৮(গ)(২) অনুযায়ী, আদায় করা অর্থের আয়-ব্যয়সহ সম্পত্তির সব তথ্য প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদকের মাধ্যমে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিয়াউল আহসান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন বলে তদন্তকালে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর দুদকের আবেদনে আদালত তার স্থাবর সম্পত্তি জব্দ এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করার আদেশ দেয়।
নথি অনুযায়ী, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার দক্ষিণখান, পল্লবী, মিরপুর ডিওএইচএস ও আশুলিয়ার জমি ও ফ্ল্যাট; নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি, কায়েতপাড়া ও নাওড়ার বাড়ি, প্লট ও কৃষিজমি; বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জের বাড়ি, বাগানবাড়ি ও জমি; ঝালকাঠির বাড়ি, পুকুর ও কৃষিজমি; পটুয়াখালীর কুয়াকাটার জমি এবং মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের কৃষিজমি।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের তফসিলে ৩৯টি স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ১৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৭ টাকা দেখানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ’ অর্জন এবং ৩৪২ কোটি টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেনের’ অভিযোগে জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক।
এক মামলায় দুদকের অভিযোগ, জিয়াউল আহসান তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের হিসাবে ৫৫ হাজার ডলার জমা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদক বলছে, জিয়াউল আহসানের নামে থাকা আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’ হয়েছে। স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে ওই অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্য মামলায় নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ১৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তার চারটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২২২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’ পাওয়ার কথাও বলেছে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান এসব সম্পদ অর্জন করেন। তার সম্পদের মধ্যে পাঁচটি বাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট এবং ৩ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ কৃষি ও অকৃষি জমির তথ্য পেয়েছে দুদক।
গত ৭ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট গভীর রাতে তাকে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিয়াউল আহসান সর্বশেষ টেলিযোগাযোগ নজরদারির জাতীয় সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে এই কর্মকর্তা বেশ আলোচিত ও প্রভাবশালী ছিলেন।
শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরদিন ৬ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তখন থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের বাড়িতে মালামাল ও সম্পদের তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সেখানে অভিযান চালিয়েছে দুদকের একটি দল।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতের আদেশে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির ওই বাড়িটি জব্দ করা হয়েছিল। সোমবার সেখানে দুদকের একটি দল পৌঁছে সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে।
দুদকের মুখপাত্র তানজীর আহমেদ এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে বাড়িটিতে কী ধরনের সম্পদ পাওয়া গেছে কিংবা তালিকা তৈরির কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি দুদক।
আদালতের নথি অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩৯টি স্থাবর সম্পদ ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল জব্দ করা হয়। এসব সম্পত্তির মধ্যে জলসিঁড়ির আটতলা বাড়িটিও রয়েছে।
জব্দ করা সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় সেগুলো বেহাত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম। তার আবেদনের পর ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সম্পত্তিগুলোর নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের আদেশ দেন।
জলসিঁড়ির বাড়িসহ তালিকাভুক্ত কয়েকটি সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাকে অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।
এ ছাড়া সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়।
আদালতের আদেশে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপারদের ওই তত্ত্বাবধায়কদের সব ধরনের আইনগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা দিতে বলা হয়।
তত্ত্বাবধায়কদের সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের হিসাব দুই মাসের মধ্যে আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তি থেকে আয় করা অর্থ সার্ভিস চার্জ বাদ দিয়ে তফসিলি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ১৮(গ)(২) অনুযায়ী, আদায় করা অর্থের আয়-ব্যয়সহ সম্পত্তির সব তথ্য প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদকের মাধ্যমে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিয়াউল আহসান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন বলে তদন্তকালে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর দুদকের আবেদনে আদালত তার স্থাবর সম্পত্তি জব্দ এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করার আদেশ দেয়।
নথি অনুযায়ী, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার দক্ষিণখান, পল্লবী, মিরপুর ডিওএইচএস ও আশুলিয়ার জমি ও ফ্ল্যাট; নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি, কায়েতপাড়া ও নাওড়ার বাড়ি, প্লট ও কৃষিজমি; বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জের বাড়ি, বাগানবাড়ি ও জমি; ঝালকাঠির বাড়ি, পুকুর ও কৃষিজমি; পটুয়াখালীর কুয়াকাটার জমি এবং মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের কৃষিজমি।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের তফসিলে ৩৯টি স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ১৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৭ টাকা দেখানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ’ অর্জন এবং ৩৪২ কোটি টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেনের’ অভিযোগে জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক।
এক মামলায় দুদকের অভিযোগ, জিয়াউল আহসান তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের হিসাবে ৫৫ হাজার ডলার জমা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদক বলছে, জিয়াউল আহসানের নামে থাকা আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’ হয়েছে। স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে ওই অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্য মামলায় নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ১৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তার চারটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২২২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’ পাওয়ার কথাও বলেছে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান এসব সম্পদ অর্জন করেন। তার সম্পদের মধ্যে পাঁচটি বাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট এবং ৩ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ কৃষি ও অকৃষি জমির তথ্য পেয়েছে দুদক।
গত ৭ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট গভীর রাতে তাকে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিয়াউল আহসান সর্বশেষ টেলিযোগাযোগ নজরদারির জাতীয় সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে এই কর্মকর্তা বেশ আলোচিত ও প্রভাবশালী ছিলেন।
শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরদিন ৬ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তখন থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

পল্লবী থানার একটি মামলায় করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির হোতা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইসিবি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
বৈঠকের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।’
১৯ ঘণ্টা আগে
মাত্র তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত এই বন্দি গত ১৬ জুলাই ইট বহনের কাজ করার সময় নিরাপত্তার ফাঁক গলে কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজে এই চাঞ্চল্যকর পলায়নের দৃশ্য ধরা পড়ার পর দায়িত্বরত তিন মেট্রন ও চার নারী কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে বুজে নিতে গাজীপুর
১ দিন আগে