
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কক্সবাজারের টেকনাফে ২০১৮ সালে সংঘটিত বহুল আলোচিত একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং অপর তিন আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন— ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন (সেনাবাহিনীতে কর্মরত), কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
এর মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আবদুর রহমান বদি, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম। তাদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালীপাড়া এলাকায় র্যাবের কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। তবে শুরু থেকেই তার পরিবার ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই একরামুলের মেয়ে তার বাবার সঙ্গে শেষ মুহূর্তের ফোনালাপের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘আব্বু, তুমি কান্না করতেছ যে...’— এই কথোপকথন দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার কয়েকদিন পর এক সংবাদ সম্মেলনে একরামুলের স্ত্রী আয়েশা বেগম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে অভিযানের সময় মোবাইল ফোনে ধারণ করা কয়েকটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেন।
সেই অডিও রেকর্ডগুলোতে বন্দুকের ট্রিগার টানার শব্দ, পরপর একাধিক গুলির শব্দ এবং একপর্যায়ে এক ব্যক্তির গোঙানির করুণ আর্তনাদ শোনা যায়। ওই অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসার পর দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ, সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে।

কক্সবাজারের টেকনাফে ২০১৮ সালে সংঘটিত বহুল আলোচিত একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং অপর তিন আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন— ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন (সেনাবাহিনীতে কর্মরত), কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
এর মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আবদুর রহমান বদি, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম। তাদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালীপাড়া এলাকায় র্যাবের কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। তবে শুরু থেকেই তার পরিবার ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই একরামুলের মেয়ে তার বাবার সঙ্গে শেষ মুহূর্তের ফোনালাপের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘আব্বু, তুমি কান্না করতেছ যে...’— এই কথোপকথন দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার কয়েকদিন পর এক সংবাদ সম্মেলনে একরামুলের স্ত্রী আয়েশা বেগম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে অভিযানের সময় মোবাইল ফোনে ধারণ করা কয়েকটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেন।
সেই অডিও রেকর্ডগুলোতে বন্দুকের ট্রিগার টানার শব্দ, পরপর একাধিক গুলির শব্দ এবং একপর্যায়ে এক ব্যক্তির গোঙানির করুণ আর্তনাদ শোনা যায়। ওই অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসার পর দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ, সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
১ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
১ দিন আগে