
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। ব্যভিচারের অভিযোগ এনে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হোসেন ২০২১ সালে এ মামলা করেছিলেন। এরপর থেকে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলছিলো আলোচিত এই মামলা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালে রাকিবের সঙ্গে তামিমার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। কিন্তু বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি জানতে পারেন রাকিব। পরে তিনি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের সেপ্টেম্বরে নাসির, তামিমা ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
২০২২ সালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে নাসির ও তামিমার বিচার শুরু হয়। তবে তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ এবং অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ পৃথক আবেদন করলেও ২০২৩ সালে আদালত উভয় আবেদনই খারিজ করে দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের আইনি বাধা দূর হয়।
মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নাসির ও তামিমা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়ে তামিমা বলেন, আগের স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটিয়ে বৈধভাবেই তিনি নাসির হোসেনকে বিয়ে করেছেন।
নাসিরের বিরুদ্ধে দুটি এবং তামিমার বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার পরিচালিত হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর এবং তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। তবে বিচার শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকেই খালাস দেন।
রাজনীতি/আরআইআর

আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। ব্যভিচারের অভিযোগ এনে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হোসেন ২০২১ সালে এ মামলা করেছিলেন। এরপর থেকে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলছিলো আলোচিত এই মামলা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালে রাকিবের সঙ্গে তামিমার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। কিন্তু বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি জানতে পারেন রাকিব। পরে তিনি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের সেপ্টেম্বরে নাসির, তামিমা ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
২০২২ সালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে নাসির ও তামিমার বিচার শুরু হয়। তবে তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ এবং অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ পৃথক আবেদন করলেও ২০২৩ সালে আদালত উভয় আবেদনই খারিজ করে দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের আইনি বাধা দূর হয়।
মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নাসির ও তামিমা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়ে তামিমা বলেন, আগের স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটিয়ে বৈধভাবেই তিনি নাসির হোসেনকে বিয়ে করেছেন।
নাসিরের বিরুদ্ধে দুটি এবং তামিমার বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার পরিচালিত হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর এবং তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। তবে বিচার শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকেই খালাস দেন।
রাজনীতি/আরআইআর

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে