
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৯ জুলাই এ বিষয়ে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের এ দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
আইনজীবীরা জানান, খেলাপি ঋণ থাকার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। আদালত আদেশে বলেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন, তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ আসনের ভোটের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আদালতের ওই আদেশের কারণে নির্বাচন কমিশন এ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল বা গেজেট প্রকাশ করতে পারেনি।
এদিকে জামায়াত প্রার্থীর আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ আদালত সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুলটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার আগের আদেশটিই বহাল রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে রুল শুনানি শেষ হলো, যার চূড়ান্ত ভাগ্য জানা যাবে আগামী ৯ জুলাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৯ জুলাই এ বিষয়ে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের এ দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
আইনজীবীরা জানান, খেলাপি ঋণ থাকার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। আদালত আদেশে বলেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন, তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ আসনের ভোটের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আদালতের ওই আদেশের কারণে নির্বাচন কমিশন এ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল বা গেজেট প্রকাশ করতে পারেনি।
এদিকে জামায়াত প্রার্থীর আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ আদালত সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুলটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার আগের আদেশটিই বহাল রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে রুল শুনানি শেষ হলো, যার চূড়ান্ত ভাগ্য জানা যাবে আগামী ৯ জুলাই।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে