
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দিতে গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং পেপার স্প্রে নিক্ষেপের মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে সাত দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আনোয়ার হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আদালত সেদিন তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। আজ শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং হাতে হাতকড়া ছিল। পরে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলে দিলে তিনি কাঠগড়ার সামনে দাঁড়ান।
এরপর রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। ডিবির গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন রিমান্ড আবেদনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
শুনানিতে আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, ‘গুলশানের বাসভবন থেকে যেন খালেদা জিয়া বের হতে না পারেন, সেজন্য বালুর ট্রাক দিয়ে পথ আটকে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমদানি করা পেপার স্প্রে নিক্ষেপ করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনার মূল পরিকল্পনায় ছিলেন জগলুল পাশা। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। তার দেওয়া তথ্য থেকেই এ ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন, তা জানা যাবে।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, ‘৭১ বছরের জীবনে তিনি (জগলুল পাশা) কখনো রাজনীতি করেননি। ঘটনার সময় তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ছিলেন। ২০১৫ সালের ২ মার্চ তিনি অবসরে যান।’
আইনজীবী আবুল কালাম বলেন, ‘তিনি (জগলুল পাশা) যদি রাজনীতি করতেন, তাহলে যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসরে যেতেন না; সচিব হয়েই অবসর নিতেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় যুগ্ম সচিব হিসেবেই অবসর নিতে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঘটনাস্থলেও যাননি। তাকে রিমান্ডে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদে কোনো তথ্য পাওয়া যাবে না। তাই রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিন দেওয়া হোক।’ এর জবাবে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক বলেন, ‘এই আসামির তত্ত্বাবধানে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জাল নথি তৈরি করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়েছেন।’
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জগলুল পাশার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জগলুল পাশাকে মুচকি হাসতে দেখা যায়। আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথেও তার মুখে হাসি ছিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারভুক্ত ১১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সকাল থেকে সারাদিন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে অবস্থান করেন। এ সময় তারা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন এবং অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। খালেদা জিয়া যাতে সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে তারা এলাকায় ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, কর্মসূচি অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে খালেদা জিয়া সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে আসামিরা তার পথে বাধা দেন। বালুভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে রেখে ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়। বারবার চেষ্টা করেও তিনি বের হতে পারেননি। এ সময় আসামিরা নিষিদ্ধ পেপার স্প্রে ব্যবহার করলে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
ঘটনার প্রায় এক দশক পর, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন গুলশান থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলার বাইরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগেও জগলুল পাশার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দিতে গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং পেপার স্প্রে নিক্ষেপের মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে সাত দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আনোয়ার হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আদালত সেদিন তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। আজ শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং হাতে হাতকড়া ছিল। পরে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলে দিলে তিনি কাঠগড়ার সামনে দাঁড়ান।
এরপর রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। ডিবির গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন রিমান্ড আবেদনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
শুনানিতে আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, ‘গুলশানের বাসভবন থেকে যেন খালেদা জিয়া বের হতে না পারেন, সেজন্য বালুর ট্রাক দিয়ে পথ আটকে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমদানি করা পেপার স্প্রে নিক্ষেপ করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনার মূল পরিকল্পনায় ছিলেন জগলুল পাশা। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। তার দেওয়া তথ্য থেকেই এ ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন, তা জানা যাবে।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, ‘৭১ বছরের জীবনে তিনি (জগলুল পাশা) কখনো রাজনীতি করেননি। ঘটনার সময় তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ছিলেন। ২০১৫ সালের ২ মার্চ তিনি অবসরে যান।’
আইনজীবী আবুল কালাম বলেন, ‘তিনি (জগলুল পাশা) যদি রাজনীতি করতেন, তাহলে যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসরে যেতেন না; সচিব হয়েই অবসর নিতেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় যুগ্ম সচিব হিসেবেই অবসর নিতে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। ঘটনাস্থলেও যাননি। তাকে রিমান্ডে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদে কোনো তথ্য পাওয়া যাবে না। তাই রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিন দেওয়া হোক।’ এর জবাবে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক বলেন, ‘এই আসামির তত্ত্বাবধানে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জাল নথি তৈরি করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়েছেন।’
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জগলুল পাশার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জগলুল পাশাকে মুচকি হাসতে দেখা যায়। আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথেও তার মুখে হাসি ছিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারভুক্ত ১১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সকাল থেকে সারাদিন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে অবস্থান করেন। এ সময় তারা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন এবং অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। খালেদা জিয়া যাতে সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে তারা এলাকায় ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, কর্মসূচি অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে খালেদা জিয়া সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে আসামিরা তার পথে বাধা দেন। বালুভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে রেখে ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়। বারবার চেষ্টা করেও তিনি বের হতে পারেননি। এ সময় আসামিরা নিষিদ্ধ পেপার স্প্রে ব্যবহার করলে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
ঘটনার প্রায় এক দশক পর, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন গুলশান থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলার বাইরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জাল নথি প্রস্তুত ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগেও জগলুল পাশার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
১ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
১ দিন আগে