ফেসবুক-টিকটক খুলবে কবে, জানা যাবে বুধবার

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

টিকটক, ইউটিউব ও ফেসবুক কখন খুলে দেওয়া হবে, তা আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টার পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কবে চালু করা হবে? এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুধবার বেলা ১১টার পর জানাতে পারব। টিকটক, ইউটিউব ও ফেসবুকের কাছে একটি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। মৌখিক ও লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে তাদের। এরই মধ্যে টিকটক আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানিয়েছে যে, তারা উপস্থিত হয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে জবাব দিতে চায়।

তিনি বলেন, তবে ফেসবুক ও ইউটিউব বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) কোনো জবাব দেয়নি। যে কারণে আগামীকাল সকাল ৯টা, ১০টা ও বেলা ১১টায় এই তিন প্রতিষ্ঠানকে বিটিআরসিতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাই আগামীকাল বেলা ১১টার পর যদি তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা পেয়ে তা বিশ্লেষণ করে এবং না-পেলেও আমরা আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে সরকার: শামা ওবায়েদ

সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে সিঙ্গাপুরের একটি হোটেলে বাংলাদেশ চেম্বার অব সিঙ্গাপুর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সিঙ্গাপুরে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ নেন।

৪ ঘণ্টা আগে

একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান ও সিওওর নামে সমন জারি

ঢাকার মহানগর হাকিম নাজমিন আক্তার গত ২৮ জুন এ সমন জারি করেছিলেন। এ খবর জানাজানি হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট)। সমনে আসামিদের আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৫ ঘণ্টা আগে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি: ১৩ বছর পর খালাসের আবেদন আযাদের

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে করা হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। এটিই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার প্রথম রা

১৫ ঘণ্টা আগে

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে’র খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য— কমিশন গঠন ও এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে; একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম একজন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।

১৬ ঘণ্টা আগে