হামে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোগো

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত ও লক্ষণ নিয়ে মোট ১৬৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৮৭৪ শিশু।

শনিবার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২৪ শিশুর, সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে আরও ১৪৫ শিশুর।

এ ছাড়া নিশ্চিত হামে ২ হাজার ৪৮৯ শিশু এবং সন্দেহজনক আরও ১৪ হাজার ৩৮৫ শিশুর আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, পরের স্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ। ঢাকা বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহজনক ৭৪৭৮ শিশু এবং রাজশাহী বিভাগে ৩৪৪৯ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

রেশমের হারানো গৌরব ফেরাতে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহী সিল্ক (রেশম) শুধু একটি অঞ্চলের নয়, এটি সারা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক। তাই এই শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবং শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

৭ ঘণ্টা আগে

শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব-জবাবদিহিতার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী দিনে শিক্ষাখাতে বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে তিনি কারিগরি শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে এ খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

৮ ঘণ্টা আগে

এসএসসি পরীক্ষায় লোডশেডিং রোধে বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেবেন শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালে লোডশেডিং বন্ধে বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে যেন সারা দেশে কোনো লোডশেডিং না হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ চিঠি দেবো। আশা করি, লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি থেকে পরীক্ষার্থীরা মুক্তি পাবে।

১০ ঘণ্টা আগে

দেড় বছর ধরে শেখ হাসিনা কেন দিল্লিতে, প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, মোদি সরকার জনস্বার্থের চেয়ে কর্পোরেট স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের করের টাকা ব্যয় করে একজন বিদেশি নেতাকে আশ্রয় দেওয়ার চেয়ে দেশের বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকারের বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

১০ ঘণ্টা আগে