
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রামিসার পল্লবীর বাসায় গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আরও ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানসহ অনেকে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও বলেছেন, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়া এ ঘটনায় আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে আজ সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সোহেল রানা নামের এক যুবক। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তার মেয়েকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাডাকি করা হয়।
কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন লাশ ও বাথরুমে বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়। শিশুটিকে কক্ষে নেওয়ার সময় সোহেলের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক ব্যক্তি ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, দরজা খোলার পর মেয়েটিকে দেখে তার বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। তিনি শিশুটিকে ডেকে ঘরের বাথরুমে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিশুটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে গোটা ঘটনা ফাঁস হওয়ার আতঙ্কে সোহেল তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
সোহেল আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাকে বাঁচাতে লাশ গোপন করার পরিকল্পনা করেন। লাশ গুম করতে রামিসার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। এ ছাড়া তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধের কাছ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এরপর লাশ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। এ সময় রামিসার মা দরজায় নক করছিলেন। তখন সোহেল যাতে পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর দরজা খোলেন স্বপ্না। পুরো প্রক্রিয়াতেই সোহেলকে সহযোগিতা করেন তিনি।

ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রামিসার পল্লবীর বাসায় গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আরও ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানসহ অনেকে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও বলেছেন, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়া এ ঘটনায় আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে আজ সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সোহেল রানা নামের এক যুবক। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তার মেয়েকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাডাকি করা হয়।
কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন লাশ ও বাথরুমে বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়। শিশুটিকে কক্ষে নেওয়ার সময় সোহেলের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক ব্যক্তি ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, দরজা খোলার পর মেয়েটিকে দেখে তার বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। তিনি শিশুটিকে ডেকে ঘরের বাথরুমে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিশুটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে গোটা ঘটনা ফাঁস হওয়ার আতঙ্কে সোহেল তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
সোহেল আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাকে বাঁচাতে লাশ গোপন করার পরিকল্পনা করেন। লাশ গুম করতে রামিসার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। এ ছাড়া তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধের কাছ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এরপর লাশ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। এ সময় রামিসার মা দরজায় নক করছিলেন। তখন সোহেল যাতে পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর দরজা খোলেন স্বপ্না। পুরো প্রক্রিয়াতেই সোহেলকে সহযোগিতা করেন তিনি।

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি উগ্রবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাদের লক্ষ্য ছিল খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা। রোববার সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের এক দিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দক্ষিণ পাশে লালমাই পাহাড়ের গভীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুহিন, আনাস ও ফাহিম ন
৬ ঘণ্টা আগে
সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘অপ্রতীম হত্যার বিচার চাই’, ‘ঘাতকদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মহাসড়ক উত্তাল করে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালি
৭ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
১ দিন আগে