
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সাত দিনব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’ শুরু হয়েছে।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন বিসিকের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বাংলা একাডেমির সভাপতি শিক্ষাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান।

আজ থেকে শুরু হওয়া এই মেলা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সপ্তাহব্যাপী এ মেলায় থাকবে ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের তৈরি নানা পণ্য, বৈশাখী সাজসজ্জা, মাটির পণ্য, নকশিকাঁথা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমাহার। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
মেলায় পাওয়া যাবে কৃষিজাত দ্রব্য, কারুপণ্য, লোকজ পণ্য, পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য। থাকবে জামদানি, শতরঞ্জি ও শীতলপাটির মতো জিআই পণ্য। এছাড়া কুটির শিল্পজাত সামগ্রী, হস্ত ও মৃৎশিল্পজাত পণ্য, খেলনা, রূপ সাজসজ্জার সামগ্রী এবং বিভিন্ন লোকজ খাদ্যদ্রব্য।
আয়োজকরা জানান, মেলায় মোট ১৬০টি স্টর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়াজাত পণ্যের ৭টি, জামদানির ৬টি, নকশিকাঁথার ৪টি, বস্ত্রের ৪৪টি, শতরঞ্জির ৫টি এবং মণিপুরি শাড়ির ২টি স্টল।

এ ছাড়া কারুশিল্পী জোন, শিশুদের রাইড ও বিনোদন জোন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ১৩টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে। প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২টি এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১টি স্টল বিনামূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নববর্ষকে উৎসবমুখর করতে ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ থেকে বিসিক ও বাংলা একাডেমি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সাত দিনব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’ শুরু হয়েছে।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন বিসিকের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বাংলা একাডেমির সভাপতি শিক্ষাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান।

আজ থেকে শুরু হওয়া এই মেলা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সপ্তাহব্যাপী এ মেলায় থাকবে ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের তৈরি নানা পণ্য, বৈশাখী সাজসজ্জা, মাটির পণ্য, নকশিকাঁথা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমাহার। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
মেলায় পাওয়া যাবে কৃষিজাত দ্রব্য, কারুপণ্য, লোকজ পণ্য, পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য। থাকবে জামদানি, শতরঞ্জি ও শীতলপাটির মতো জিআই পণ্য। এছাড়া কুটির শিল্পজাত সামগ্রী, হস্ত ও মৃৎশিল্পজাত পণ্য, খেলনা, রূপ সাজসজ্জার সামগ্রী এবং বিভিন্ন লোকজ খাদ্যদ্রব্য।
আয়োজকরা জানান, মেলায় মোট ১৬০টি স্টর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়াজাত পণ্যের ৭টি, জামদানির ৬টি, নকশিকাঁথার ৪টি, বস্ত্রের ৪৪টি, শতরঞ্জির ৫টি এবং মণিপুরি শাড়ির ২টি স্টল।

এ ছাড়া কারুশিল্পী জোন, শিশুদের রাইড ও বিনোদন জোন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ১৩টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে। প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২টি এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১টি স্টল বিনামূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নববর্ষকে উৎসবমুখর করতে ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ থেকে বিসিক ও বাংলা একাডেমি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে আসছে।

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে