
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

৫ আগস্টের অর্জন কোনো ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার। একই সঙ্গে অন্যায়কারী ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে, তবে বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (০৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়; এটি সবার সম্মিলিত সংগ্রামের ফসল।
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে দেশ এগিয়ে নিতে চাই না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন। আর কোনো শক্তি যাতে দেশ গঠনের লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ১৭ বছরের নির্যাতন ও কষ্টের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তার মা কখনো প্রতিহিংসার কথা বলতেন না।
তিনি বলেন, “যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম— মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম, মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নিই? মা বলত, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলত।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “১৭ বছর আগে যাদের সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম, তাদের অনেককেই হারিয়েছি, কারও কারও অঙ্গহানি হয়েছে। শারীরিক কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা আমিও অনুভব করি”
রাজনীতি/আরআইআর

৫ আগস্টের অর্জন কোনো ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার। একই সঙ্গে অন্যায়কারী ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে, তবে বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (০৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়; এটি সবার সম্মিলিত সংগ্রামের ফসল।
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে দেশ এগিয়ে নিতে চাই না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন। আর কোনো শক্তি যাতে দেশ গঠনের লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ১৭ বছরের নির্যাতন ও কষ্টের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তার মা কখনো প্রতিহিংসার কথা বলতেন না।
তিনি বলেন, “যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম— মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম, মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নিই? মা বলত, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলত।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “১৭ বছর আগে যাদের সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম, তাদের অনেককেই হারিয়েছি, কারও কারও অঙ্গহানি হয়েছে। শারীরিক কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা আমিও অনুভব করি”
রাজনীতি/আরআইআর

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে