
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সহস্রাধিক শহিদের ওপর দাঁড়ানো ‘নতুন বাংলাদেশে’ ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় মনের মতো না হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন জুলাইয়ে শহিদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
তিনি বলেন, হাজারের মতো শহিদ এবং ১০ হাজারের বেশি আহতদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই নতুন বাংলাদেশ। এই নতুন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার যে বিচারটি আছে, আমাদের মনমতো হবে না, তার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় স্নিগ্ধ আরও বলেন, এই নতুন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একমাত্র রায় হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত ষড়যন্ত্র করে অন্য যেকোনো রায়ই আসুক না কেন, বাংলাদেশের জনগণ সেটি মেনে নেবে না। মৃত্যুদণ্ডই শেখ হাসিনার একমাত্র রায়।
তবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা নয়, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করাকেই বড় কাজ বলে মনে করছেন মীর স্নিগ্ধ। তিনি বলেন, এই রায় কিছুই প্রমাণ করে না, যতদিন না পর্যন্ত এই খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশের মাটিতে ফেরত এনে তার বিচার কার্যকর না করা হচ্ছে। তাই অবশ্যই সর্বপ্রথম দাবি থাকবে— খুনি হাসিনাকে দেশের মাটিতে ফেরত এনে রায় কার্যকর করা হোক।
বাংলাদেশে এর আগে কোনো মামলায় নারীকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়ার নজির তেমন নেই— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্নিগ্ধ বলেন, বাংলাদেশে এর আগে তো কখনো এ রকম গণহত্যাকারীও তৈরি হয়নি। তাই শেখ হাসিনার মতো গণহত্যাকারী বাংলাদেশে এই প্রথম এবং তার বিচারও বাংলাদেশে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
মীর স্নিগ্ধর ভাই মীর মুগ্ধ জুলাই আন্দোলনে পরিচিতি পেয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের পানি সরবরাহ করে। পরে শহিদ হন তিনি। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য হিসেবে রায় সামনে রেখে কোনো অনুভূতি কাজ করছে কি না— এমন প্রশ্নও রাখেন সাংবাদিকরা।
জবাবে স্নিগ্ধ বলেন, আজ কোনো আলাদা অনুভূতিই নেই। কারণ আজ যে রায়টি প্রকাশ হতে যাচ্ছে সেটি গত ৫ আগস্টই বাংলাদেশের জনগণ দিয়ে দিয়েছিল। অনুভূতি আসবে সেদিন, যেদিন খুনি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার রায় কার্যকর করা হবে। সেদিনই আমাদের যেই অনুভূতিটি আছে, সেই অনুভূতিটি প্রকাশ পাবে।
কেবল মীর স্নিগ্ধ নয়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির হয়েছেন জুলাইয়ে শহিদ ও আহতদের অন্য স্বজনরাও। তারাও সবাই এ মামলায় ন্যায়বিচার তথা শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির ফাঁসি দাবি করছেন।

সহস্রাধিক শহিদের ওপর দাঁড়ানো ‘নতুন বাংলাদেশে’ ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় মনের মতো না হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন জুলাইয়ে শহিদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
তিনি বলেন, হাজারের মতো শহিদ এবং ১০ হাজারের বেশি আহতদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই নতুন বাংলাদেশ। এই নতুন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার যে বিচারটি আছে, আমাদের মনমতো হবে না, তার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় স্নিগ্ধ আরও বলেন, এই নতুন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একমাত্র রায় হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত ষড়যন্ত্র করে অন্য যেকোনো রায়ই আসুক না কেন, বাংলাদেশের জনগণ সেটি মেনে নেবে না। মৃত্যুদণ্ডই শেখ হাসিনার একমাত্র রায়।
তবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা নয়, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করাকেই বড় কাজ বলে মনে করছেন মীর স্নিগ্ধ। তিনি বলেন, এই রায় কিছুই প্রমাণ করে না, যতদিন না পর্যন্ত এই খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশের মাটিতে ফেরত এনে তার বিচার কার্যকর না করা হচ্ছে। তাই অবশ্যই সর্বপ্রথম দাবি থাকবে— খুনি হাসিনাকে দেশের মাটিতে ফেরত এনে রায় কার্যকর করা হোক।
বাংলাদেশে এর আগে কোনো মামলায় নারীকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়ার নজির তেমন নেই— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্নিগ্ধ বলেন, বাংলাদেশে এর আগে তো কখনো এ রকম গণহত্যাকারীও তৈরি হয়নি। তাই শেখ হাসিনার মতো গণহত্যাকারী বাংলাদেশে এই প্রথম এবং তার বিচারও বাংলাদেশে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
মীর স্নিগ্ধর ভাই মীর মুগ্ধ জুলাই আন্দোলনে পরিচিতি পেয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের পানি সরবরাহ করে। পরে শহিদ হন তিনি। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য হিসেবে রায় সামনে রেখে কোনো অনুভূতি কাজ করছে কি না— এমন প্রশ্নও রাখেন সাংবাদিকরা।
জবাবে স্নিগ্ধ বলেন, আজ কোনো আলাদা অনুভূতিই নেই। কারণ আজ যে রায়টি প্রকাশ হতে যাচ্ছে সেটি গত ৫ আগস্টই বাংলাদেশের জনগণ দিয়ে দিয়েছিল। অনুভূতি আসবে সেদিন, যেদিন খুনি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার রায় কার্যকর করা হবে। সেদিনই আমাদের যেই অনুভূতিটি আছে, সেই অনুভূতিটি প্রকাশ পাবে।
কেবল মীর স্নিগ্ধ নয়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির হয়েছেন জুলাইয়ে শহিদ ও আহতদের অন্য স্বজনরাও। তারাও সবাই এ মামলায় ন্যায়বিচার তথা শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির ফাঁসি দাবি করছেন।

দেশে দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে পরিস্থিতির উন্নতির তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান কমে ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
১১ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
১২ ঘণ্টা আগে