মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্পাঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সব্যসাচী শিল্পীর মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি কোলাজ: রাজনীতি ডটকম

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, তাঁর মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের চিত্রকলা, পাপেট শিল্প, নাটক এবং শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ, শিশুদের জন্য সুস্থ বিনোদনের প্রসার এবং সৃজনশীল চর্চার ক্ষেত্রে মুস্তাফা মনোয়ারের অনন্য অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরকাল স্মরণ করবে।

এর আগে, আজ সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সব্যসাচী এই শিল্পীর। শিল্পীর পরিবার জানিয়েছে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুস্তাফা মনোয়ারকে গত ১৪ জুন স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে ভেন্টিলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তার, আবার নেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। সে অবস্থাতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাপেট শো ‘মনের কথা’ শুরু করেন তিনি। ‘পারুল’, ‘বাঘা’ ও ‘ভুতু’র মতো অমর পাপেট চরিত্রের স্রষ্টা তিনি, যা দশকের পর দশক ধরে দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে একাধারে চিত্রকলা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, নাট্যনির্দেশনা ও শিশুতোষ শিক্ষামূলক বিনোদন নিয়ে কাজ করেছেন মুস্তাফা মনোয়ার। ইউনিসেফের জনপ্রিয় ‘মীনা’ কার্টুনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর যশোরের শ্রীপুরে। তার বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

রাজনীতি/আরআইআর

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

ঢাকার আরও ৫০ স্থানে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এর আগে গত বছরের আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর সাতটি মোড়ে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়। এসব মোড় হলো—হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, সোনারগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং জাহাঙ্গীর গেট।

১০ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ চায় চীন অর্থনৈতিকভাবে পাশে থাকুক: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বিশ্বে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও বাণিজ্য, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী।

১২ ঘণ্টা আগে

বন্যা-জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে বেঁড়িবাধ নির্মাণসহ নানা পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেলা সাড়ে ১১টায় পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো স্লুইসগেটের দায়িত্বে থাকবে না। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাই এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে।’

১৩ ঘণ্টা আগে

টিকার মাধ্যমে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব: এনআইসিআরএইচ পরিচালক

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেছেন, সব ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের মতো কিছু ক্যান্সার, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।

১৩ ঘণ্টা আগে