
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা জেলা শহর ত্যাগ করেছেন।
বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার পর দলটির ১৫-১৬টি গাড়ির বহর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে গোপালগঞ্জ ছাড়ে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আমরা গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেছি। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় নিরাপদে জেলা ছাড়তে পেরেছি।
বহরে থাকা এনসিপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। তারা সবাই বিকেলবেলা সার্কিট হাউজ থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় বের হয়ে যান।
এর আগে বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এনসিপির সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় দলটির গাড়িবহরে হামলা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এসময় এনসিপি নেতারা জেলা সার্কিট হাউজে আশ্রয় নেন।
গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পর রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে ওঠে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমাবেশ থেকে ফেরার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গাড়ি ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা জেলা শহর ত্যাগ করেছেন।
বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার পর দলটির ১৫-১৬টি গাড়ির বহর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে গোপালগঞ্জ ছাড়ে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আমরা গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেছি। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় নিরাপদে জেলা ছাড়তে পেরেছি।
বহরে থাকা এনসিপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। তারা সবাই বিকেলবেলা সার্কিট হাউজ থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় বের হয়ে যান।
এর আগে বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এনসিপির সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় দলটির গাড়িবহরে হামলা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এসময় এনসিপি নেতারা জেলা সার্কিট হাউজে আশ্রয় নেন।
গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির পর রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে ওঠে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমাবেশ থেকে ফেরার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গাড়ি ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
৭ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১০ ঘণ্টা আগে