
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বিভিন্ন দেশের নাগরিকের কত শতাংশ দেশটিতে সরকারি কল্যাণ সহায়তা গ্রহণ করে থাকে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশভিত্তিক অভিবাসীদের এ তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ১৯তম স্থানে। ট্রাম্পের এ তালিকা বলছে, দেশটিতে অবস্থানরত অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী মার্কিন সরকারের কল্যাণ সহায়তা নিয়ে থাকেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ তালিকা প্রকাশ করেছেন। পরে ট্রাম্পের এ তালিকাটিই মার্কিন সরকারের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অভিবাসী পরিবারগুলোর অবস্থান রয়েছে মধ্যম-উচ্চ স্তরে।
প্রকাশিত এ তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারের ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো না কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে। এ সহায়তার মধ্যে খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্য সেবা, আবাসন ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালিকায় সর্বোচ্চ সহায়তা গ্রহণকারী অভিবাসীদের দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ভুটানের নাম। এ দেশটির ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ অভিবাসীই কোনো না কোনো মার্কিন সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে থাকেন। এর পরের অবস্থানেই রয়েছে যথাক্রমে উত্তর ইয়েমেন (৭৫ দশমিক ২ শতাংশ) ও সোমালিয়া (৭১ দশমিক ৯ শতাংশ)।
তালিকায় বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে এল সালভাদর (৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ), মেক্সিকো (৫৪ শতাংশ), উজবেকিস্তান (৫৩ দশমিক ৯ শতাংশ) ও হন্ডুরাস (৫২ দশমিক ৯ শতাংশ)।
ট্রাম্পের দেওয়া তালিকায় দেখা যায়, তুলনামূলক কম হারে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা (২৬ দশমিক ২ শতাংশ), ইসরায়েল/ফিলিস্তিন (২৫ দশমিক ৯ শতাংশ), সৌদি আরব (২৫ দশমিক ৭ শতাংশ) ও বারমুডা (২৫ দশমিক ৫ শতাংশ)।
এ তালিকায় মোট ১২০টি দেশ রয়েছে। এতে ২৫ শতাংশের নিচে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী কোনো দেশের নাম নেই। ধারণা করা হচ্ছে, যেসব দেশের অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে অন্তত ২৫ শতাংশ বা তার বেশি সরকারি সহায়তা নেয়, শুধু সেসব দেশের তথ্যই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বিভিন্ন দেশের নাগরিকের কত শতাংশ দেশটিতে সরকারি কল্যাণ সহায়তা গ্রহণ করে থাকে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশভিত্তিক অভিবাসীদের এ তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ১৯তম স্থানে। ট্রাম্পের এ তালিকা বলছে, দেশটিতে অবস্থানরত অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী মার্কিন সরকারের কল্যাণ সহায়তা নিয়ে থাকেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ তালিকা প্রকাশ করেছেন। পরে ট্রাম্পের এ তালিকাটিই মার্কিন সরকারের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অভিবাসী পরিবারগুলোর অবস্থান রয়েছে মধ্যম-উচ্চ স্তরে।
প্রকাশিত এ তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারের ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো না কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে। এ সহায়তার মধ্যে খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্য সেবা, আবাসন ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালিকায় সর্বোচ্চ সহায়তা গ্রহণকারী অভিবাসীদের দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ভুটানের নাম। এ দেশটির ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ অভিবাসীই কোনো না কোনো মার্কিন সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে থাকেন। এর পরের অবস্থানেই রয়েছে যথাক্রমে উত্তর ইয়েমেন (৭৫ দশমিক ২ শতাংশ) ও সোমালিয়া (৭১ দশমিক ৯ শতাংশ)।
তালিকায় বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে এল সালভাদর (৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ), মেক্সিকো (৫৪ শতাংশ), উজবেকিস্তান (৫৩ দশমিক ৯ শতাংশ) ও হন্ডুরাস (৫২ দশমিক ৯ শতাংশ)।
ট্রাম্পের দেওয়া তালিকায় দেখা যায়, তুলনামূলক কম হারে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা (২৬ দশমিক ২ শতাংশ), ইসরায়েল/ফিলিস্তিন (২৫ দশমিক ৯ শতাংশ), সৌদি আরব (২৫ দশমিক ৭ শতাংশ) ও বারমুডা (২৫ দশমিক ৫ শতাংশ)।
এ তালিকায় মোট ১২০টি দেশ রয়েছে। এতে ২৫ শতাংশের নিচে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী কোনো দেশের নাম নেই। ধারণা করা হচ্ছে, যেসব দেশের অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে অন্তত ২৫ শতাংশ বা তার বেশি সরকারি সহায়তা নেয়, শুধু সেসব দেশের তথ্যই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
১২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
১৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
১৪ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে