
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাজেট প্রণয়নে সংসদের ভূমিকা গলাবাজিতে সীমাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে অর্থবিল স্থায়ী কমিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সংসদে আনা হয়। অনেক দেশে সাধারণ আলোচনার পর বাজেট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয় এবং সেখানে পর্যালোচনা শেষে সংসদে আসে। অথচ বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করেন আমলারা। এমপিদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকে কয়েক মিনিটের গলাবাজির মধ্যে।
বুধবার (২৪ জুন) সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর এই এমপি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
আলোচনায় নাজিবুর রহমান মোমেন বাজেট প্রণয়নে সংসদের সম্পৃক্ততা দাবি করে বলেন, সত্যিকার অর্থে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে (আমলাদের মাধ্যমে বাজেট প্রণয়ন) এই সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে। বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে।
বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে আগের কয়েকটি বাজেটের ধারাবাহিকতা বলে অভিহিত করেন নাজিবুর রহমান। বলেন, গত এক দশকের বাজেটগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, কিছু সংখ্যা ও ভাষাগত পরিবর্তন ছাড়া কাঠামোগতভাবে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের বছরগুলোর মতো এবারও গতানুগতিক, শুভঙ্করের ফাঁকি, গণবিরোধী আর আগামী বছরের লুটপাটের পরিকল্পনার বাজেট দেওয়া হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি হিসাব করলে একে কোনোভাবেই সবচেয়ে বড় বাজেট বলা যাবে না, বরং এটি সবচেয়ে বড় ঘাটতির বাজেট এবং সবচেয়ে বেশি ঋণনির্ভর বাজেট— বলেন জামায়াতের এই এমপি।
মধ্যবিত্তদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হয়েছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ভ্যাটের আওতা আপনারা বাড়িয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডারসহ ২০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট বেড়েছে। একজন ভিক্ষুককে চাল-ডাল, নুন-তেল কিনতে যে পরিমাণ ভ্যাট দিতে হয়, একজন কোটিপতিও একই পরিমাণ দেন। তাহলে এটি কীভাবে গরিববান্ধব বাজেট হলো? অনেক কার্ডই দিচ্ছে সরকার, একটা ‘ভ্যাট মওকুফ কার্ড’ যদি গরিব মানুষের জন্য দিতেন, তাহলে ভালো হতো!
বিএনপির সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তাদের ফ্যাসিস্ট হিসেবে অভিহিত করেন নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংসদে মসজিদে রাজনীতি বন্ধ ও জামায়াত নিষিদ্ধ করার দাবিও করা হয়েছে। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী দাবি আগেও একটি দলের নেতাকর্মীদের করতে দেখেছি। আজ দেশের জনগণ তাদেরই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।

বাজেট প্রণয়নে সংসদের ভূমিকা গলাবাজিতে সীমাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে অর্থবিল স্থায়ী কমিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সংসদে আনা হয়। অনেক দেশে সাধারণ আলোচনার পর বাজেট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয় এবং সেখানে পর্যালোচনা শেষে সংসদে আসে। অথচ বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করেন আমলারা। এমপিদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকে কয়েক মিনিটের গলাবাজির মধ্যে।
বুধবার (২৪ জুন) সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর এই এমপি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
আলোচনায় নাজিবুর রহমান মোমেন বাজেট প্রণয়নে সংসদের সম্পৃক্ততা দাবি করে বলেন, সত্যিকার অর্থে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে (আমলাদের মাধ্যমে বাজেট প্রণয়ন) এই সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে। বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে।
বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে আগের কয়েকটি বাজেটের ধারাবাহিকতা বলে অভিহিত করেন নাজিবুর রহমান। বলেন, গত এক দশকের বাজেটগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, কিছু সংখ্যা ও ভাষাগত পরিবর্তন ছাড়া কাঠামোগতভাবে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের বছরগুলোর মতো এবারও গতানুগতিক, শুভঙ্করের ফাঁকি, গণবিরোধী আর আগামী বছরের লুটপাটের পরিকল্পনার বাজেট দেওয়া হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি হিসাব করলে একে কোনোভাবেই সবচেয়ে বড় বাজেট বলা যাবে না, বরং এটি সবচেয়ে বড় ঘাটতির বাজেট এবং সবচেয়ে বেশি ঋণনির্ভর বাজেট— বলেন জামায়াতের এই এমপি।
মধ্যবিত্তদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হয়েছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ভ্যাটের আওতা আপনারা বাড়িয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডারসহ ২০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট বেড়েছে। একজন ভিক্ষুককে চাল-ডাল, নুন-তেল কিনতে যে পরিমাণ ভ্যাট দিতে হয়, একজন কোটিপতিও একই পরিমাণ দেন। তাহলে এটি কীভাবে গরিববান্ধব বাজেট হলো? অনেক কার্ডই দিচ্ছে সরকার, একটা ‘ভ্যাট মওকুফ কার্ড’ যদি গরিব মানুষের জন্য দিতেন, তাহলে ভালো হতো!
বিএনপির সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তাদের ফ্যাসিস্ট হিসেবে অভিহিত করেন নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংসদে মসজিদে রাজনীতি বন্ধ ও জামায়াত নিষিদ্ধ করার দাবিও করা হয়েছে। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী দাবি আগেও একটি দলের নেতাকর্মীদের করতে দেখেছি। আজ দেশের জনগণ তাদেরই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
১ দিন আগে
এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে